তকাল ঘড়ির কাঁটায় ঠিক ৩ টে বেজে ৯ মিনিটে দেহ পৌঁছয় হাসপাতালে। বিকেল চারটেয় শুরু হয় ময়নাতদন্ত। চার ঘণ্টা ধরে চলে আমতার মৃত ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত। তদন্তের স্বার্থে বিভিন্ন ভঙ্গিতে আনিসের দেহের ১১ টি এক্স-রে করা হয়েছে বলে খবর।
বৃহস্পতিবার রাজ্যপুলিশের তরফে একটি ট্যুইট করে আবেদন করা হয়, আনিস কাণ্ডে যেন জনতা এবং তাঁর পরিবার শান্ত থাকে পাশাপাশি ভরসা রাখে পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল অর্থাৎ সিট(SIT) এর উপর। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, মূলত প্রয়াত আনিসের পরিবার যাতে সিবিআই তদন্তের দাবি থেকে সরে আসে তার জন্যেই তাঁদের এই আবেদন।
প্রথম দিনের তদন্তেই কিছুটা আলো দেখতে পেয়েছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, পুলিশই গেছিল আনিসের বাড়িতে। সূত্রের দাবী, সম্ভবত পুরনো একটি মামলার সূত্রে পুলিশ ওই রাতে অভিযানে গিয়েছিল।
তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক সুকান্ত পাল জানিয়েছেন, আনিসের সঙ্গে তাঁর পরিচয় ছিল। আনিস খুবই ভালো ছেলে বলেও জানিয়েছেন তিনি। দাবি করেছেন, ঘটনার তদন্ত হোক। দোষীরা শাস্তি পাক। বাম সাংসদ তথা বিকাশ ভট্টাচার্য জানিয়েছেন রাজ্য সরকারের ওপর তাঁদের কোন আস্থা নেই।