কুন্তল ঘোষের যোগসূত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের। গত ৩০ জুল তাঁকে তলব করে ইডি। দীর্ঘ সাড়ে ১১ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে জিজ্ঞসাবাদের পর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি। ধৃত কুন্তল ঘোষের সঙ্গে অভিনেত্রী তথা সভানেত্রীর আর্থিক লেনদেন হয়েছিল বলেই সন্দেহ গোয়েন্দা সংস্থার। এবার নিজের মুখেই কুণাল স্বীকার করলেন তিনি সায়নীকে টাকা দিয়েছিলেন? ব্যাপারটা কী?
গত বুধবার তৃণমূলের তরফে যে প্রচার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছিল সেখানে নাম ছিল যুব সভানেত্রীর। কিন্তু তাঁকে প্রচারে অংশ নিতে দেখা যায়নি। গত বৃহস্পতিবার ঈদ থাকায় প্রচারে নামেননি। শুক্রবার ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ায় গতকালও প্রচার কর্মসূচি থেকে দূরেই ছিলেন সায়নী। কিন্তু শনিবারও তালিকা থেকে বাদ পড়লেন তিনি। এনিয়েই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে সমালোচনা।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে অভিনেত্রী তথা যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষের। ইতিমধ্যেই তাঁকে সিজিও কমপ্লক্সে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। কিন্তু তলবের পর থেকেই আচমকা গায়েব সায়নী। প্রশ্ন উঠছে কোথায় তিনি? কেন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না? চারিদিকে যখন এত শোরগোল সেই সময়েই এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ।