‘মমতাই অনুপ্রেরণা’— তৃণমূলে যোগ দিতেই স্বপ্নার বার্তা, নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা

তৃণমূলে যোগ দিয়েই স্বপ্নার দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন ও কাজের ধরণ তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছে; আগামিদিনে সক্রিয় রাজনীতিতে বড় ভূমিকার ইঙ্গিত।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

রাজ্যের রাজনৈতিক মঞ্চে ফের এক চমক। দীর্ঘ জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন স্বপ্না। দলীয় পতাকা হাতে নিয়েই তাঁর স্পষ্ট বার্তা— “উনি যেভাবে কাজ করেছেন, তা সত্যিই অনুপ্রেরণার। মমতাদিই আমার রাজনৈতিক প্রেরণা।” যোগদানের মুহূর্তেই এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণে আলোড়ন তুলেছে।

শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূলে নাম লেখান স্বপ্না। বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, রাজ্যের উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন তাঁকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে। বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক ধরন ও লড়াইয়ের মানসিকতাকেই তিনি তাঁর অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন।

স্বপ্নার কথায়, “মানুষের পাশে থেকে যেভাবে কাজ করা যায়, তা আমি কাছ থেকে দেখেছি। উন্নয়নের যে ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছে, তার অংশ হতে চাই।” তাঁর এই মন্তব্যে স্পষ্ট, আগামিদিনে সক্রিয় রাজনৈতিক ভূমিকা নিতে প্রস্তুত তিনি।

তৃণমূলের তরফেও তাঁকে স্বাগত জানিয়ে বলা হয়েছে, অভিজ্ঞতা ও জনসংযোগ— দুই মিলিয়েই তিনি সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই যোগদান স্থানীয় স্তরে দলীয় শক্তি আরও মজবুত করতে পারে।

বিরোধী শিবির অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তবে স্বপ্নার বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে উন্নয়ন ও আদর্শের কথা। ফলে তাঁর এই দলবদল কেবল রাজনৈতিক কৌশল নয়, বরং ‘আদর্শগত সিদ্ধান্ত’ বলেই দাবি তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত