নজরবন্দি ব্যুরোঃ আলোচনা করতে রাজি, তবে শর্ত আছে! এমনই বার্তা উঠে এল তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডল, প্রাক্তন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক তথা আসানসোল পুরসভার মুখ্য প্রশাসক জিতেন্দ্র তিওয়ারির বৈঠকের পর। উল্লেখ্য এদিন মমতা বন্দোপাধ্যায় স্বয়ং ফোন করেছিলেন জিতেন্দ্র কে, বলেছিলেন মাথা ঠাণ্ডা রাখতে। কিন্তু দেখা যায় ফোন করার পরেও শুভেন্দুর সাথে বৈঠক করতে পূর্ব বর্ধমানের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে উপস্থিত হন তিনি।
আরও পড়ুনঃ শুধু তৃণমূল নয়, কংগ্রেসও ভাঙাচ্ছেন শুভেন্দু! কারা আছেন সাথে?
এদিকে বৈঠক শেষে পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন, “এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই আছি। অন্য কারো সঙ্গে কথা বলব না। যা বলার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই বলব।” অন্যদিকে সাংসদ সুনীল মণ্ডল জানান, “বৈঠকে রাজনৈতিক আলোচনা হয়নি।” আর কিছু বলতে না চাইলেও একটা বিষয় পরিষ্কার করেছেন যে, তাঁদের ক্ষোভ মূলত প্রশান্ত কিশোরের বিরুদ্ধে। পিকের পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ রয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলেও সুনীল জানিয়ে দেন অভিষেক নয় তাঁদের ক্ষোভের মূল কারন পিকে!
সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন তাহলে কি দলবদল করছেন? সুনীল বলেন, শুভেন্দু দলবদলের বিষয়ে তাঁদেরকে কিছু বলেননি। বিক্ষুব্ধদের সাফ বক্তব্য, দলের সঙ্গে আলোচনার পথ এখনও খোলা। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব যদি প্রশান্ত কিশোরকে বাদ দিয়ে কোনও আলোচনা করতে চায়, তবে তাঁরা রাজি।
এদিকে শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফা বা আজকের বোইঠক প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “বৈঠক করছে, করছে। এগুলো ওদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা আমার দেখার কথা নয়। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষেরা বৈঠক করছেন। এ বিষয়ে আমার কোনও প্রতিক্রিয়া নেই।’ মমতা বন্দোপাধ্যায়ের অন্যতম স্নেহধন্য ‘ববি’ বলেন, “এখন তৃণমূল কংগ্রেস একটা সাগর। তার থেকে এক বাটি জল তুললে কিছু যায় আসে না।”



