নজরবন্দি ব্যুরো: নন্দীগ্রামে সামনাসামনি দেখা হবে, সামনেই একুশের ভোট। জমে উঠেছে রাজনৈতিক ময়দান। আসন্ন এই ভোটে কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে রাজি নয় রাজনৈতিক দলগুলি। অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের বিধানসভা নির্বাচন একটু অন্য নির্বাচন গুলির থেকে যে আলাদা হতে চলেছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলার মসনদ কার ঝুলিতে পরবে…বিজেপি না তৃণমূল-এর? তা এখনই বলা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ এবার হবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। তবে শুধুই কি বাংলার মসনদ?
আরও পড়ুন: শুভেন্দুর সভার আগেই উত্তপ্ত খেজুরি, আক্রান্ত বিজেপি
সংগ্রামের মাটি নন্দীগ্রাম কার দখলে হবে সেটা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। কারণ এবার আর মমতার পাশে নেই শুভেন্দু অধিকারী। যোগ দিয়েছেন অন্যতম বিরোধী দল বিজেপিতে। ফলে কিছুটা হলেও এখানে ক্ষমতায় আসতে গেলে ঘাম ঝড়াতে হবে ঘাসফুল শিবিরকে।
গতকাল নন্দীগ্রামের সভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হবে। এও বলেন যে তিনি প্রার্থী না হলেও একজন ভালো প্রার্থী দেবেন। ভোটের আগে এটা একটা মাস্টারস্ট্রোক বলেই মনে করেছে রাজনৈতিক মহল। যদিও তাঁর এহেন মন্তব্যে গেরুয়া শিবির কিছুটা ঘাবড়েছে বলেই ধারণা বিশিষ্ট মহলের।এরপরেই শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে হিন্দিতে লেখেন, ‘স্বাগতম দিদি। ২১ বছর সঙ্গে ছিলাম এবার নন্দীগ্রামে সামনাসামনি দেখা হবে।’ এদিকে শুভেন্দুর এই টুইটের পর থেকে গুঞ্জন ছড়িয়েছে রাজনীতির আঙিনায়।
নন্দীগ্রামে সামনাসামনি দেখা হবে, তিনি আরও লেখেন, ইন্তেজার রহেগা। অর্থাৎ আমি অপেক্ষায় রইলাম। এরপর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে যে আসন্ন নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী হতে চলেছেন শুভেন্দু? যদিও এই নিয়ে দলের তরফ থেকে কোনও শিলমোহর পরেনি। গতকাল দক্ষিণ কলকাতার এক সভা থেকে শুভেন্দু হুঙ্কার দেন, “শুনে রাখুন মাননীয়া, আপনাকে নন্দিগ্রামে হাফ লাখ ভোটে হারাতে না পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব।” তিনি আরও বলেন “আমি একটা শৃঙ্খলাবদ্ধ পার্টির সদস্য। আর তৃণমূল একটা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। দেড় জনের পার্টি। তাই মঞ্চে দাঁড়িয়ে মাননীয়া কোম্পানির সিদ্ধান্ত ঘােষণা করে দিতে পারেন। বিজেপিতে তা করা যায় না। নন্দীগ্রামে। দল আমাকে প্রার্থী করুক বা অন্য কাউকে, মাননীয়াকে হারাবই হারাব।”



