নজরবন্দি ব্যুরোঃ রাজ্যে বেকার সমস্যা মেটাতে চান নব্য বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী! বিজেপি যোগদানের পর থেকেই প্রাক্তন দল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘জেহাদ’ ঘোষণা করেছেন তিনি, ইদানিং হিন্দি বলতেও শুরু করেছে প্রকাশ্য জনসভায়। কমবেশি মেদিনীপুরের এই নেতার আক্রমণের লক্ষ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২১ বছর তৃণমূল করেছেন বলে লজ্জিত শুভেন্দু এখন সজ্জিত মোদির হাতে বাংলা কে তুলে দিতে। প্রায় প্রতিদিন শুভেন্দুর আক্রমণের টার্গেট থাকে প্রাক্তন দল তৃণমূল। কিন্তু এদিন তিনি যা করলেন তা নজিরবিহীন।
আরও পড়ুনঃ জলপাইগুড়ির ৭ আসনে জয় নিশ্চিত তৃণমূলের? বিশেষ বৈঠক গৌতম-ওমপ্রকাশের।
মহিষাদলের এক সভা থেকে বাবুল সুপ্রিয় কে পাশে নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “তোলাবাজ ভাইপো ডায়মন্ডহারবারে বলেছে আঞ্চলিক দল করিনি কেন। তার কারণ, আমি আঞ্চলিক দল করলে একটা ছোট দল হয়তো বানাতে পারতাম। সম্মানীয় কিরণময় নন্দ একটা দল গঠন করেছিলেন এখানে। প্রমোদবাবু একটা দল বানিয়েছিলেন। তার আগে সুশীলবাবুর বানিয়েছিলেন বাংলা কংগ্রেস। আমিও পারতাম। কিন্তু আমার পরে আমার পরিবারের কেউ নেতা হত। তাই আমি আঞ্চলিক দল বানায়নি। আমি পৃথিবীর সবথেকে বড় রাজনৈতিক দলে যোগ দিয়েছি।”
তৃণমূল যুবর রাজ্য সম্পাদক বিনয় মিশ্রর বাড়িতে সিবিআই হানা নিয়ে সরাসরি অভিষেক কে আক্রমণ করেন তিনি। তাঁর কথায়, “আমি তোলাবাজ ভাইপো হটাও বলেছিলাম, ওনার খুব গায়ে লেগে গেছে। এইতো আসতে আসতে করে এগোচ্ছে। লালা, এনামুল, এবার বিনয় মিশ্র। কে এই বিনয় মিশ্র! পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূলের যুব কংগ্রেসে নেতা। তার ৪টে বাড়িতে সিবিআই ঢুকে পড়েছে। উনি তৃণমূলের যুব সম্পাদক, নম্বর ৭। তার সভাপতির নাম তোলাবাজ ভাইপো। চৌকাঠে চলে এসেছে, ওটা পেরলেই ঠিক হবে আমি ১৯ তারিখের মিটিংয়ে ভুল কিছু বলিনি।”
পাশাপাশি বিজেপি-র সাথে তাঁর কি ডিল হয়েছে সেই প্রসঙ্গে বলেন, “আমি বিজেপিতে গেছি তার অন্যতম কারণ আমি চাই কলকাতা ও দিল্লিতে একই দলের সরকার থাকুক। এটা না হলে শিল্প আসবে না, বেকার সমস্যা মিটবে না!” উল্লেখ্য গতকালই শুভেন্দু দাবি করেছিলেন, বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় এলে বছর বছর স্কুল সার্ভিসের মাধ্যমে নিয়োগ হবে। বেকার সমস্যা মিটে যাবে।
এদিন শুভেন্দু আরও বলেন, “তৃণমূল একটি কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এটি আর রাজনৈতিক দল নেই। আমাদের কর্মচারী করে রাখা হয়েছিল। মেদিনীপুরের লোকেরা কর্মচারী হিসাবে থাকতে পারে না!”



