নজরবন্দি ব্যুরোঃ নন্দীগ্রাম মামলায় পরাজয়ের আশঙ্কা, হাইকোর্টে নন্দীগ্রাম মামলা গৃহীত হতেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি চান যেন নন্দীগ্রামে পুনর্গণনার মামলা অন্য কোনও রাজ্যে স্থানান্তরিত করা হোক। এই রাজ্যের আদালতে ‘বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত হতে পারে’ বলেই আশঙ্কা করছেন তিনি। রাজ্যের বিচারালয়ে আস্থা রাখতে পারলেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
আরও পড়ুনঃ কাশ্মীরে দিলীপ, ভালোবেসে ছবি তুলছেন লেহ’র
এদিকে এজলাস বদলানোর পর প্রথম শুনানিতে সাফল্য পেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি কৌশিক চন্দ সরে দাঁড়ানোর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নন্দীগ্রাম মামলা গিয়েছে বিচারপতি শম্পা সরকারের এজলাসে। সেখানেই আজ প্রথম শুনানি ছিল এই মামলার। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনপত্র স্ক্রুটিনি করেছেন রেজিস্টার। রেজিস্টারের রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী পিটিশনে কোন ত্রুটি নেই।
আজকের ভার্চুয়াল শুনানি শেষে বিচারপরি শম্পা সরকার নির্দেশ জারি করেছেন একগুচ্ছ। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদনের ভিত্তিতে নোটিস যাবে প্রতিপক্ষ শুভেন্দুর কাছে। এছাড়া জানানো হয়েছে নির্বাচন সংক্রান্ত সমস্ত নথি সংরক্ষণ করতে হবে মামলা শেষ পর্যন্ত। নিরাপদে, সুরক্ষিত ভাবে রাখতে হবে নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের সমগ্র ভিডিওগ্রাফি, ইভিএম, ভিভিপ্যাড।
মামলার কারণেই শুভেন্দু সহ নোটিস যাবে বাকি সব পক্ষের কাছেও। অর্থাৎ মূল মামলাকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্বাচন কমিশন, নন্দীগ্রাম বিধানসভার রিটার্নিং অফিসারের কাছেওযাবে নোটিস। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ আগস্ট।
নন্দীগ্রাম মামলায় পরাজয়ের আশঙ্কা, সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ শুভেন্দু অধিকারী!

নন্দীগ্রাম মামলায় পরাজয়ের আশঙ্কা করেই কি শুভেন্দু গেলেন সুপ্রিম কোর্টে? ওয়াকিবহাল মহলের মতে। হাইকোর্ট সমস্ত বুথের ফুটেজ খতিয়ে দেখতে পারে। সেখানে যদি সত্যিই গরবড় থাকে তাহলে বিপাকে পরতে পারেন শুভেন্দু। কারন জয়ের মার্জিন অত্যন্ত কম। তাই হাইকোর্টের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না বিরোধী দলনেতা।
নন্দীগ্রামে ১৯৫৬ ভোটে শুভেন্দুর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ভোটের ফল্প্রকাশের দিন এই ফলে অবাক হয়ে মুখ্যমন্ত্রী কারচুপির অভিযোগ এনেছিলেন। সেদিনেই তিনি বলেছিলেন প্রয়োজনে মামলা করবেন। তিনি বলেছিলেন, ‘গোটা রাজ্যের থেকে আলাদা রায় দিল নন্দীগ্রাম, এটা হতে পারে না। আমি আদালতে যাব। কারণ আমার কাছে খবর আছে, ভোটের ফল ঘোষণার পর কারচুপি হয়েছে।’








