নজরবন্দি ব্যুরোঃ কীভাবে নন্দীগ্রামে ওয়ারেন্ট ছাড়াই অফিসে তল্লাশি করল পুলিশ? সেই প্রশ্ন নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবার মামলা দায়ের করার অনুমতি চান বিরোধী দলনেতা। মামলা গ্রহণ করেছেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি রয়েছে।
আরও পড়ুনঃ উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হতে হবে শওকত মোল্লাকে, কেন একথা বললেন নওশাদ?
রবিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নন্দীগ্রামের অফিসে পুলিশের অভিযান। তমলুক মহুকুমা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে ছিল নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। যা নিয়ে একটি ভিডিও ট্যুইটে প্রকাশ করে রাজ্যপালের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। সেই অভিযোগের পরেই মুখ্যসচিবের কাছে রিপোর্ট চাইলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়৷
এদিন ট্যুইট করে রাজ্যপাল লেখেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতার নন্দীগ্রামের কার্যালয়ে পুলিশ হানা দিয়েছে। বিষয়টি উদ্বেগের, তাই আমি মুখ্যসচিবের কাছে এ বিষয়ে জবাব চেয়েছি। সেইসঙ্গে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। যেখানে দেখা যাচ্ছে শুভেন্দুর অফিসে উপস্থিত কর্মীদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশ। কিন্তু হঠাৎ কেন হানা দিল পুলিশ?

সূত্রে খবর, কয়েকদিন আগেই অভিযোগ ওঠে বিজেপি নেতা মেঘনাদ পালের স্ত্রী মহুয়া পাল ভুয়ো ডিগ্রি দেখিয়ে একটি ব্যাংকের ম্যানেজার পদে কর্মরত রয়েছেন। ঘটনায় ইতিমধ্যেই মহুয়া পালের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। এই বিষয়ে তদন্তের জন্যই মহুয়া পালের খোঁজে তমলুকের এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী। রবিবার নন্দীগ্রামে মাহুয়া পালের বাড়িতে যায় পুলিশ। মহুয়া পালকে তাঁর বাড়িতে না পেয়ে নন্দীগ্রামে বিধায়কের কার্যালয়ে হানা দেয় পুলিশ।
কিন্তু হঠাৎ করে পুলিশের অভিযানে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী দলনেতা। ট্যুইট করে তিনি লেখেন, কোনও পূর্ব সূচনা না দিয়ে, কোনও সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই এবং ম্যাজিস্ট্রেটের অনুপস্থিতিতে, আচমকা মমতার পুলিশ আমার নন্দীগ্রামের বিধায়ক কার্যালয়ে অনধিকার প্রবেশ করেছে।মমতার সরকারের পুলিশের এই জঘন্য অপব্যবহার বিরোধী দলনেতার প্রতি এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের প্রমাণ।
ওয়ারেন্ট ছাড়াই অফিসে তল্লাশি, বৃহস্পতিবার শুনানি

শুভেন্দু অধিকারী রবিবারই দাবী করেন, ওটা শুধুমাত্র বিধায়ক কার্যালয় নয়, ওখানে আমি থাকি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ এটা করেছে। কিন্তু কোনও লাভ হবে না। মানুষ পাশে আছে। আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের নাম দিয়েছি মমতার পুলিশ।








