নজরবন্দি ব্যুরোঃ মন্ত্রীসভাকে ঢেলে সাজাতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেজন্য বুধবার ৮ নয়া মন্ত্রী শপথ নিলেন। একাধিক নয়া মুখ এবার মমতার মন্ত্রীসভায় দেখা যেতে পারে। রাজ্য মন্ত্রীসভায় রদবদল নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়লেন না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দেড় লাখি মন্ত্রী এরা।
আরও পড়ুনঃ CAA: রাজ্যে CAA লাগুর প্রক্রিয়া শুরুর মুখে! শুভেন্দুর দাবি ঘিরে জোড় জল্পনা রাজ্য জুড়ে
এদিন নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, অর্থ দফতরের নয়া সার্কুলারে কোভিডের নিয়ন্ত্রণ উঠে যাওয়ার পরেও পশ্চিমবঙ্গ যেহেতু আর্থিকভাবে দেউলিয়া। পশ্চিমবঙ্গে মন্ত্রীদের ক্ষমতা খর্ব করেছে অর্থ দফতর। আগে ১০ লক্ষ ছিল এখন দেড় লক্ষ করে দেওয়া হুয়েছে। তাতে দেড় লাখি মন্ত্রী এরা। আমি মনে করি এর থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য, বা ১০০ দিনের কাজের সুপারভাইজারদের কাজের ক্ষমতা ও বরাদ্দকৃত অর্থ আরও বেশী।
আজকের এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না শুভেন্দু। এবিষয়ে ব্যাখা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, কাকে মন্ত্রী এটা মুখ্যমন্ত্রী করবেন। আমার যেতেও কোনও আপত্তি ছিল না। মন্ত্রীসভার তালিকা দেখছিলাম, তাতে ভারতীয় জনতা পার্টি, বিশেষ করে সনাতনী বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের অভিযুক্তদের মধ্যে দুই জনকে মন্ত্রী করা হুয়েছে।
উদয়ন গুহ এবং পার্থ ভৌমিক। এরা সরাসরি ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে অভিযুক্ত। হাইকোর্টে যে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছিল, তাতে এই দুই জনের নাম ছিল। সেখানে গিয়ে তো এসব বলা যেত না। হাসিমুখ নিইয়ে হাতে মেলাতে হত।এটা আমার কোচবিহার এবং ব্যারাকপুর এলাকায় বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানুষরা আঘাত পেত।
একইসঙ্গে ঝাড়খণ্ড কান্ডে একাধিক রাজ্যে তদন্ত করতে গিয়ে বাধার মুখে পড়তে হয়েছে রাজ্যের সিআইডিকে। অসমে আটক করা হয়েছে। এবিষয়ে বিধায়কের মন্তব্য, আটক করা নয়, ভালো করে টাইট দেওয়া উচিত। আগে জ্ঞানবন্ত সিংকে বসিয়েছিল। চেষ্টা করেছে অপকর্ম করার। বিচারবিভাগের তরফে টাইট দেওয়া হয়েছে। পরে ছেঁটে ফেলে দিয়েছে।
দেড় লাখি মন্ত্রী এরা, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়েও আক্রমণে শুভেন্দু

এখন রাজশেখরন বলে একজনকে বসিয়েছে, যিনি কয়লা কেসে অভিযুক্ত। তিনি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এবং তাঁর ভাইপো যত অপকর্ম কুতে বলছেন।তত অপকর্ম করতে চাইছেন। অন্য রাজ্যে এভাবে কাজ করার সুবিধে নেই। অনুমতি নিয়ে না করলে অসমে যা হয়েছে, দিল্লিতে যা হয়েছে। অন্য রাজ্যেও তাই-ই হবে।



