নজরবন্দি ব্যুরোঃ কার নির্দেশ অবৈধ উপায়ে চাকরি প্রাপকদের নতুন করে শূন্যপদ তৈরি করে নিয়োগ দেওয়া হবে? এবিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। অর্থাৎ, স্কুল সার্ভিস কমিশনের এই মামলায় আপাতত স্বস্তি রাজ্যের। ফলত, সুপ্রিম স্থগিতাদেশে স্বস্তি রাজ্যের। এই মামলায় সিবিআই তদন্ত আর নয়। শিক্ষাসচিব মণীশ জৈনকে আর হাজিরা দিতে হবে না বলেও জানিয়ে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত।


গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে তিনটি পৃথক আবেদন জমা করা হয়েছিল। সেই আবেদনে বলা হয়েছিল, যাদের চাকরি বাতিল হয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের হয়নি। তাঁরা ২-৩ বছর ধরে কর্মরত। সরকারের তরফে অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করে ওই পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। সেই আবেদনপত্র প্রত্যাহারের জন্য তাঁরা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে যান।

এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, স্কুল সার্ভিস কমিশন এই ধরনের মন্তব্য করেছেন, এই ধরনের কথা তিনি বিশ্বাস করেন না। স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সামনে রেখে জোর করে আবেদন লেখানো হচ্ছে। স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সামনে রেখে কোনও কোনও খেলোয়াড় গোটা বিশ্বকাপ খেলতে চাইছে। কিছু কিছু ব্যক্তি রয়েছেন, যারা এখনও নিয়োগ দুর্নীতির তার ধরে টানছেন। সেই সমস্ত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপরেই শিক্ষাসচিবকে তলব করেন তিনি। একইসঙ্গে তাঁর নির্দেশ ছিল, কারা এই অতিরিক্ত শূন্যপদে বেআইনি নিয়োগের কথা বলছেন, তাঁদেরকে খুঁজে বের করবে সিবিআই।
সুপ্রিম স্থগিতাদেশে স্বস্তি রাজ্যের, তবে কী তদন্তে স্থগিতাদেশ?

এরপরেই বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে উপস্থিত হয় রাজ্য। কিন্তু ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খায় সরকার। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কেই বহাল রাখে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পরে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। শুক্রবার সেই মামলায় স্থগিতাদেশ জারি করা হয়। তিন সপ্তাহের জন্য সিবিআই তদন্ত-সহ হাই কোর্টে এই মামলায় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের একাধিক নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।


সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



