নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি পদে ১৯১১ জন কর্মীরা চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। চাকরি বাতিলের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন চাকরি বাতিল হওয়া কর্মীরা। শূন্যপদে বাতিল হওয়া নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এদিন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ঋষিকেশ রায় ও বিচারপতি সঞ্জয় করলের বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। অর্থাৎ, ১৯১১টি শূন্যপদে আপাতত নতুন নিয়োগ নয়।
আরও পড়ুনঃ Cash Recovered: বিধায়কের ছেলের কাছে নগদ ৮ কোটি টাকা, ফাঁস ঘুষ নেওয়ার ছবিও


প্রসঙ্গত, উত্তরপত্রে কারচুপি করে চাকরি পাওয়া ২৮২০ জনের নাম আলাদা করে কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআই তদন্তে ২৮২০ জনের উত্তরপত্র কারচুপি করা হয়েছে বলে উঠে এসেছে। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন বলে জানান কমিশনের আইনজীবী। কমিশনের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, প্রথমে তালিকা প্রকাশ করতে হবে এবং পরে তাঁদের চাকরি বাতিল করতে হবে। এরপরেই ১৯১১ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরপর সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন চাকরি প্রার্থীরা। চাকরি হারানো গ্রুপ ডি কর্মীদের বক্তব্য ছিল, বিগত ৫ বছর ধরে শ্রম দিয়েছেন তাঁরা। তাই টাকা ফেরত কেন দেবেন? এই প্রশ্ন তুলে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও বিচারপতি সুপ্রতিম মজুমদারের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর বৃহস্পতিবার বেতন ফেরতের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। তবে ১৯১১ জনের ওপর একক বেঞ্চের সম্পূর্ণ রায়ে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়নি। অর্থাৎ, চাকরি বাতিলের নির্দেশ এখনও বহাল থাকছে।
১৯১১টি শূন্যপদে আপাতত নতুন নিয়োগ নয়, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

এরপর ২৩ ফেব্রুয়ারি চাকরি বাতিল ও নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন চাকরি হারানো গ্রুপ ডি কর্মীরা। আজ নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। ফলে নিয়োগ নিয়ে নতুন করে জটিলতা শুরু হয়েছে।









