বকেয়া না মেটালে কড়া ব্যাবস্থা। জানাল সুপ্রিম কোর্ট।

নজরবন্দি ডিজিটাল ডেস্ক

নজরবন্দি ব্যুরোঃ বকেয়া না মেটালে কড়া ব্যাবস্থা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাওনা টাকা না মেটালে অভিযুক্ত টেলিকম সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে দায়ের করা হবে অবমাননার মামলা, জানয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শীর্ষ আদালত এই রায় ঘোষণা করে। এদিন বিচারপতি অরুণ মিশ্রের বেঞ্চ নির্দেশ অনুযায়ী, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ এর মধ্যে বকেয়া টাকার অন্তত ৩০ শতাংশ শোধ করতে হবে। এবং প্রতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে পাওনা অর্থের বার্ষিক অংশ জমা করতে হবে। মোট ১০ বছর সময় দেওয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ আগামী ২ বছর EMI দিতে হবে না গ্রাহকদের। #BigBreaking

বকেয়া না মেটালে কড়া ব্যাবস্থা। নচেৎ সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হবে বলে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এদিন বিচারপতি অরুণ মিশ্রের বেঞ্চ গত বছরের টেলি-সংস্থাগুলির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া আদালত অবমাননার একটি মামলা খারিজ করে দেন। এবং আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে ব্যক্তিগত গ্যারেন্টি দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। টেলিকম কোম্পানি ভোডাফোনের কাছে স্পেকট্রাম এবং লাইসেন্স বাবদ ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশনস-এর ৫০ হাজার কোটি টাকা পাওনা।

এয়ারটেল কোম্পানির কাছে প্রাপ্য রয়েছে ৩৫ হাজার ৫৮৬ কোটি টাকা। একই রকম ভাবে এমটিএনএল, বিএসএনএল, রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস, টাটা কমিউনিকেশনসের মতো সরকারি-বেসরকারি টেলি-সংস্থাগুলির বকেয়া রয়েছে ভারত সরকারের কাছে। আদালতে শুনানির সময়ে টাকা মেটানোর জন্য ১৫ বছর সময় চেয়েছিল ভোডাফোন ও আইডিয়া কোম্পানি এবং টাটা কমিউনিকেশনস চেয়েছিল ৭ বছরের সময়। এর পূর্বে ২৪ অক্টোবর ২০১৯-এর মধ্যে পাওনা অর্থ মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

পরবর্তী সময়ে ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশনস-এর তরফে নির্দেশিকা জারি করে টেলিকম সংস্থাগুলিকে ছাড় দেওয়া হয়। শীর্ষ আদালত সেই নির্দেশ না মানলেও সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হয়নি। ডিওটি-র তরফে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছিল,আপাতত অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ মেটানোর প্রয়োজন নেই। ফলে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ জারি হয়।

গত জানুয়ারিতে মামলার শুনানির সময়ে ডিওটি-র আধিকারিককে অবিলম্বে নির্দেশিকা প্রত্যাহার করার নির্দেশ দেয় বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চ। সাথে কেন্দ্র ও টেলিকম সংস্থাগুলিকে তুলোধনা করে আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেটা এজিআর মেটানোর জন্য ২০ বছরের সময়সীমা দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছিলেন, কিন্তু শীর্ষ আদালত বকেয়া সংক্রান্ত ওই প্রস্তাব খারিজ করে দেয়। গত ২০ জুলাই রায় ঘোষণা ‘স্থগিত’ রেখেছিল শীর্ষ আদালত।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহুর্তে। আমাদের ফলো করুন
Google News Google News

সদ্য প্রকাশিত