নজরবন্দি ব্যুরোঃ কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলে লিখিত ভাবে জানাতে হবে গ্রেফতারির কারণ। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে ইডিকে প্রতিহিংসামূলক মানসিকতা ছেড়ে স্বচ্ছ ভাবে তদন্ত করার নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। ঘটনার শুরু কোথায়?
আরও পড়ুনঃ ১ লক্ষ লোক নিয়ে রাজভবন অভিযান তৃণমূলের, দিল্লি থেকে নির্দেশ অভিষেকের
প্রসঙ্গত, আর্থিক প্রতারণা মামলায় এমথ্রিএম (M3M) রিয়েল এস্টেট গোষ্ঠীর পঙ্কজ বনসল ও বসন্ত বনসলকে গ্রেফতার করে ইডি। অথচ তাঁদের দাবি, গ্রেফতারির কারণ তাঁদের কেবল মৌখিকভাবে পড়ে শোনানো হয়েছে। লিখিভাবে কোনও নথি দেওয়া হয়নি কেন্দ্রীয় এজেন্সির তরফে।

এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইডির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করেন পঙ্কজ বনসল ও বসন্ত বনসল। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি। বিচারপতি এএস বোপান্না এবং পিভি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, “কোনও ব্যক্তিকে অ্যারেস্ট করলে তাঁকে লিখিতভাবে গ্রেফতারির কারণ জানানো উচিৎ। আগামী দিনে যেন তাই হয়।”

গ্রেফতার করলে লিখিতভাবে ‘কারণ’ জানাতে হবে, ইডিকে সুপ্রিম নির্দেশ আদালতের
এর আগে একই ধরনের একটি মামলায় শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, গ্রেফতারি, তল্লাশি অভিযান বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপের জন্য ইডির হাতে যে ক্ষমতা দেওয়া আছে তা সাংবিধানিকভাবে বৈধ। তাই বলে কোনওরকম স্বেচ্ছাচারিতা করা চলবে না।
কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহারের অভিযোগ কম বেশি দেশের সব প্রান্তের বিরোধী দলই কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে করে থাকে। সেক্ষেত্রে এবার আবারও শীর্ষ আদালতে মুখ পুড়ল ইডির। তবে, সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, মানুষের আস্থা রয়েছে ইডির মতো গোয়েন্দা বিভাগের প্রতি। তাই ডিপার্টমেন্টের মর্যাদা রক্ষা করেই কাজ করা উচিৎ এজেন্সির।




