নজরবন্দি ব্যুরোঃ বঙ্গ বিজেপিতে এখনও অবধি টালমাটাল পরিস্থিতি। তাই বঙ্গ বিজেপির ডামাডোল সামাল দিতে দায়িত্বে সুনীল দেওধরকে আনা হতে পারে। এমনটাই পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। এমনকি রাজ্য নেতাদেরও পছন্দের তিনি।
আরও পড়ুনঃ মুখ্যমন্ত্রী পদ ছেড়ে রাজ্যসভায় যেতে চান নীতিশ? একেবারে উপরাষ্ট্রপতি!


উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের নেতার এমন একজনকে যিনি দক্ষ সংগঠক এবং বাংলায় দক্ষতা রয়েছে। এর আগে ত্রিপুরার দায়িত্বে ছিলেন সুনীল দেওধর। বাংলা ভাষায় সাবলীল তিনি। তাই জনসংযোগ এবং কর্মী সংযোগে অনেকটা সুবিধা হবে দলের। তিনি মুরলীধর সেন লেনের নেতাদের ভীষণ পছন্দের। সেইসঙ্গে সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যর ক্ষমতা খর্ব হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

উল্লেক্যহ্য, বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরেই রাজ্য সভাপতি পদে দিলীপ ঘোষকে সরিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে নিয়ে আসে বিজেপি। এর পরেই জেলাস্তরে ৯০ শতাংশ নেতাদের বদল করেছে বিজেপি। বদল করা হয়েছে রাজ্য কমিটিতে। যা নিয়ে দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন দলেরই একাংশ। এমত অবস্থায় দলকে সামাল দেওয়ার জন্য নেতাদের খোঁজ চালাছিলেন রাজ্য নেতৃত্ব। সেই খোঁজের অবসান হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
এছাড়াও পর্যবেক্ষক হিসাবে নাম উঠে আসছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র। তবে তাঁর বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে দলের মধ্যেই। বহুদিন বাংলায় সংগঠনের কাজ করলেও বিধানসভা নির্বাচনের পর আর তাঁকে দেখা যায়নি। তাই তাঁকে আর ফেরাতে নারাজ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই।


বঙ্গ বিজেপির দায়িত্বে সুনীল দেওধর! বাড়ছে জল্পনা

তবে অমিত মালব্যের ভূমিকা নিয়ে রাজ্যের নেতাদের বিস্তর অভিযোগ জমা পড়ার পরেই সুনীল দেওধরকে বাংলার দায়িত্ব সঁপে দিতে চায় কেন্দ্রের নেতারা। ২৪ এর নির্বাচনের আগে বাংলায় সংগঠনকে উজ্জীবিত করতে এবং শাসক দলের গাফিলতিকে হাতিয়ার করেই নামতে চাইছে গেরুয়া শিবির। যদিও এখনও অবধি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি।







