হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। দলের জাতীয় কাউন্সিলের বৈঠকে যোগ দিতেই রাজধানীতে যাচ্ছেন তিনি। এই বৈঠকে যোগ দিতে আগেই দিল্লি পাড়ি দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Issue) প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত হন সুকান্ত মজুমদার। দিন দুয়েক ভর্তি ছিলেন বাইপাসের ধারের এক হাসপাতালে। আজই তিনি ছুটি পেয়েছেন।
আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে হচ্ছেটা কী? নারী নির্যাতনের পর কোলের শিশুকে ছুঁড়ে ফেলা দেওয়ার অভিযোগ!


দিল্লি যাওয়ার আগে বিমানবন্দরে দাঁড়িয়ে সংবাদমাধ্যমকে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “জাতীয় কাউন্সিলের বৈঠক বছরে একবার হয়। এখানে উপস্থিত থাকাটাও একটা সম্মানের বিষয়। সেই কারণেই দিল্লি যাচ্ছি। এই বৈঠকে যোগ দেবার ইচ্ছে আমার আগেই ছিল।” অন্যদিকে, সন্দেশখালি প্রসঙ্গে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “যবে থেকে রাজনীতি করছি তবে থেকেই বাড়ি ছাড়া। আগে মা ফোন করে বলত বাবু খেয়ছিস? এখন বলছে সন্দেশখালির মহিলারা কেমন আছে। বহু বছর ধরে ওখানে অত্যাচার চলছে। নিন্দাজনক ঘটনা।”

প্রসঙ্গত, বিগত এক সপ্তাহ ধরে উত্তপ্ত সন্দেশখালি (Sandeshkhali Issue)। তিন তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ, উত্তম সর্দার ও শিবু হাজরার বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা। মাঝে দ্বীপাঞ্চলে জারি করা হয় ১৪৪ ধারাও। গত বুধবার সন্দেশখালিকাণ্ডের (Sandeshkhali Issue) প্রতিবাদ জানাতে সেখানে যান সুকান্ত মজুমদার। তাঁকে বাধা দেয় পুলিশ। বসিরহাট থানার সামনে গাড়ির বনেটে উঠে স্লোগান তোলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। এরপর পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তি শুরু হলে গাড়ির বনেট থেকে পড়ে গিয়ে চোট পান তিনি।



হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েই দিল্লির পথে সুকান্ত, সন্দেশখালি নিয়ে কী বলে গেলেন?
প্রথমে তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখান থেকে নিয়ে আসা হয় কলকাতার এক নামী বেসরকারী হাসপাতালে। প্রায় আড়াই দিন ভর্তি ছিলেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। মূলত কোমরে সমস্যা ধরা পড়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এমআরআই, সিটি স্ক্যানও করা হয়েছিল তাঁর। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয় তাঁর। শনিবার সকালে হুইল চেয়ারে করেই হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসেন সুকান্ত। হাসপাতালের বাইরে বহু সংখ্যায় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা উপস্থিত ছিল। বিজেপি রাজ্য সভাপতি হাত নাড়িয়ে বুঝিয়ে দেন এখন ভালো আছেন তিনি।









