আগামী ২২ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধন। চলছে প্রস্তুতি। বিশেষ দিনের জন্য আয়োজন হচ্ছে মহাসমারোহে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী রাম মন্দিরের উদ্বোধন করবেন। সেই উৎসবের আমেজ বাংলাতেও। বঙ্গ বিজেপির নেতাদের মধ্যেও উৎসাহ প্রবল। রবিবার রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে বহরমপুরে জগন্নাথ মন্দিরে এক কর্মসূচিতে যোগ দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar at Berhampore)।



এদিন বহরমপুরের জগন্নাথ মন্দিরের প্রাঙ্গণে স্বচ্ছতা অভিযানে যোগ দেন বালুরঘাট (Balurghat) সাংসদ তথা বঙ্গ বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। নিজে হাতে মন্দির চত্বর পরিষ্কার করেন। এরপর জগন্নাথ দেবের পায়ে ফুল অর্পণ করে পুজো দেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে এই কর্মসূচির কিছু ছবি শেয়ার করে সুকান্ত মজুমদার লিখেছেন, ‘শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদি মহাশয়ের আহ্বানে, অযোধ্যাধামে রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হওয়ার প্রাক্কালে আজ বহরমপুরের জগন্নাথ মন্দির প্রাঙ্গণে স্বচ্ছতা অভিযানে যোগ দিলাম।’

অযোধ্যার রাম মন্দিরে ছোঁয়া থাকছে পশ্চিমবঙ্গেরও (West Bengal)। রাম মন্দির উদ্বোধনের সময় চন্দননগরের (Chandannagar) আলোয় সেজে উঠবে অযোধ্যা। প্রায় দেড়শো আলোকশিল্পী রাম লালার জন্মভূমির উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, দু কোটি টাকার বরাত পেয়েছে চন্দননগরের আলোকসজ্জা।


নরেন্দ্র মোদীর আহ্বানে স্বচ্ছতা অভিযানে যোগ সুকান্তর, পুজো দিলেন জগন্নাথ মন্দিরে

রবিবার থেকেই শুরু হয়ে যাবে বিভিন অনুষ্ঠান। বিশেষ পদ্ধতিতে পুজোর জন্য তৈরি হয়েছে হাজারের বেশি যজ্ঞকুণ্ড। যজ্ঞে যোগ দিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধুরা আসবেন। রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে ১১ দিন ধরে বিশেষ নিয়ম রীতি পালন করবেন নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। ২২ জানুয়ারি মন্দিরের উদ্বোধন হবে। বিকেলে হবে রামলালার অভিষেক অনুষ্ঠান। বিগ্রহের প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে হনুমানের উদ্দেশ্যে আহুতি দেবেন সাধুরা।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



