সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের খুন ও ধর্ষণ মামলার তৃতীয় শুনানি। আর এদিন সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আজ মঙ্গলবার ৫ টার মধ্যে চিকিৎসা পরিষেবার কাজে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপরে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে বলেই জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু মঙ্গলবার চিকিৎসকদের তরফে স্বাস্থ্যভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। সেই অভিযান আটকে দেওয়া হলে তারা স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসে যান। তাদের দাবি তাদের এই অভিযান ৫টার ,অনেক আগেই আয়োজন করা হয়েছে। তাদের দাবি মেনে নিলেই তাদের এই বিক্ষোভ উঠবে বলেও দাবি করেন তারা।
৯ সেপ্টেম্বর সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর ধর্ষণ ও খুন মামলার বহুপ্রতীক্ষিত শুনানি চলছে। একদিকে সিবিআই-এর তরফে মুখবন্ধ খামে তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে, ঠিক সেরকমই রাজ্যের তরফেও একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, সেই রিপোর্টে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে আন্দোলনের কারণে ২৩ জন ব্যক্তি মারা গিয়েছেন। তারপরেই সুপ্রিম কোর্টের তরফে ৫ টার মধ্যে চিকিৎসা পরিষেবার কাজে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ভাবে কাজে ফেরার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বিকেল ৫ টা বেজে গেলেও আন্দোলনে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা।


তাদের দাবি, আরজি কর ঘটনার ১ মাস পেরিয়ে গেলেও কেন এখনও প্রকৃত বিচার পাওয়া গেল না। পাশাপাশি পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক তদন্ত লপাটের অভিযোগ উঠছে। একই সাথে হাসপাতালের একাধিক দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে স্বাস্থ্য ভবনের একাধিক ব্যক্তির। তাই তাদের পাঁচ দফা দাবির পাশাপাশি এ বার রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব, স্বাস্থ্য অধিকর্তা এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা অধিকর্তা র ইস্তফাও চেয়ে। স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছে এই আন্দোলনরত চিকিৎসকরা।







