নজরবন্দি ব্যুরোঃ বাংলাকে অপদস্থ করাই লক্ষ্য! আর সেই কারণেই ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ইচ্ছে করেই নেতিবাচক মন্তব্য তুলে ধরেছে মানবাধিকার কমিশন। কমিশনের রিপোর্টের হলফনামায় জবাব স্বরূপ তাই বলা হয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। সঙ্গে একাধিক অভিযোগ আর তার স্বপক্ষে দেওয়া হয়েছে যুক্তি।
আরও পড়ুনঃ কবিগুরুর খ্যাতি-মহিমাকে ধ্বংস করছেন উপাচার্য, কেন্দ্রকে চিঠি তৃণমূলের সাংসদের


ভোট পরবর্তী হিংসাকে প্রধান মুদ্দা বানিয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। ভোটের ফলাফলের পরের দিন থেকেই রাজ্যে হিংসার বাতাবরণ জারি এই অভিযোগে একাধিক জায়গায় দরবার করেছেন গেরুয়া শিবিরের কর্মীরা। গিয়েছেন রাষ্ট্রপতির কাছেও।
বাংলাকে অপদস্থ করাই লক্ষ্য! রাজ্য বলছে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মনগড়া গল্প লিখেছে কমিশন।
ঘটনা খুঁটিয়ে দেখতে কেন্দ্র থেকে দফায় দফায় দল এসেছে বাংলায়। তদন্তে নেমে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গুচ্ছ গুচ্ছ অভিযোগ এনেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এবার তারই পাল্টা জবাব গিয়েছে রাজ্যের তরফ থেকে। কমিশনের নামে পাল্টা অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামা জারি করেছে রাজ্য সরকার

রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব একগুছ অভিযোগ তুলেছেন কমিশনের বিরুদ্ধে। রাজ্যের বক্তব্য ভোট পরবর্তী হিংসার যা ঘটনা ঘটেছে বাংলায় তাতে নিজের ভূমিকা পালন করেছে পুলিশ, নিজেরাই গিয়ে মিটিয়েছে সমস্যা। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহন করেছে। তবু কমিশনের রিপোর্টে ইচ্ছাকৃত ভাবে রাজ্যের বিরুদ্ধে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে।



এর কারণ হিসেবে রাজ্যের তরফে দাবি করা হয়েছে মানবাধিকার কমিশনের একাধিক সদস্যের বিজেপি যোগ। হলফনামায় রাজ্য জানিয়েছে রাজীব জৈন, আতিফ রশিদ এবং রজুলবেন এল দেসাই বিজেপির একাধিক কর্মকান্ডের সঙ্গে যুক্ত। সেক্ষেত্রে তাঁদের থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত আশা করছে না রাজ্য।

কমিশনের রিপোর্টে রাজ্যের পুলিশের এবং সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে হলফনামায়। ৩৪২৮ পাতা জুড়ে প্রমাণ ছাড়া শুধু অনুমানের ভিত্তিতে গল্প রচনা করেছেন বলেও দাবি রাজ্য সরকারের। একই সঙ্গে হলফনামায় জানানো হয়েছে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়া কমিশনের এক্তিয়ারে পড়ে, কিন্তু সিট গঠন বা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হস্তক্ষেপের পরামর্শ দেওয়ার অধিকার নেই তাদের। রাজ্যের বক্তব্য বাংলার সরকারকে অপদস্থ করতেই ইচ্ছাকৃত ভাবে বিজেপি ঘনিষ্ঠদের নিয়ে আসা হয়েছে কমিশনের টিমে।








