নজরবন্দি ব্যুরোঃ নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য ২০১৬ সালে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রাজ্যের স্কুল সার্ভিস কমিশন। ১৬০০০ শূন্য পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। পরীক্ষাও হয় একই বছরে। কিন্তু সেই পরীক্ষা কে কেন্দ্র করেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। পরীক্ষার পর প্রকাশিত উত্তরপত্রে দেখা যায় একটি প্রশ্নের উত্তর ভুল। যদিও শুরুতে তা মানতে চায়নি স্কুল সার্ভিস কমিশন। আর আজ চাকরিপ্রার্থীদের দুয়ারে পৌঁছে গেল নিয়োগপত্র!
আরও পড়ুনঃ করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের ইঙ্গিত, এক ধাক্কায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেল বাংলার সংক্রমণ।
পরীক্ষার পর প্রায় ৩ বছর পর ২০১৯ সালে হাইকোর্টে মামলা হয় এই বিষয়টি নিয়ে। ভুল উত্তরের প্রেক্ষিতে মামলা করেন অনিতা বিশ্বাস, ধিরাজ সরকার-সহ ৫ জন চাকরিপ্রার্থী। তাঁদের আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী হাইকোর্টের কাছে একাধিক প্রমাণ পেশ করেন ভুল উত্তরপত্র নিয়ে। আদালতে প্রমানিত হয়, এসএসসির উত্তরপত্রে ওই প্রশ্নের উত্তর সত্যিই ভুল ছিল।
এরপর মহামান্য হাইকোর্টের বিচারপতি শেখর ববি সরাফ স্কুল সার্ভিস কমিশন কে নির্দেশ দেন, ওই নির্দিষ্ট প্রশ্নের বরাদ্দ নম্বর সকলকে দিতে হবে। এমনকি সেই নাম্বারের ভিত্তিতে যদি কেউ চাকরির যোগ্য হয় তাহলে তাঁর হাতে দিতে হবে নিয়োগপত্র। আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল ৪ মাস আগে। কিন্তু স্কুল সার্ভিস কমিশন সেই নির্দেশিকা উপেক্ষা করে ব্যাপারটিতে ধামাচাপা দে বলে অভিযোগ।
চাকরিপ্রার্থীদের দুয়ারে পৌঁছে গেল নিয়োগপত্র, হাইকোর্টের ধাক্কায় সাধু উদ্যোগ SSC-র!

এরপরে আজ চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী আশিস কুমার চৌধুরী স্কুল সার্ভিস কমিশনে পৌঁছে যান আদালত অবমাননার নোটিশ নিয়ে। ব্যাস নোটিশ পেয়ে নড়েচড়ে বসে স্কুল সার্ভিস কমিশন। তড়িঘড়ি চাকরিপ্রার্থীদের ওই প্রশ্নের নাম্বার দেওয়া হয়। দেখা যাইয় তাঁরা চাকরি পাওয়ার যোগ্য। তারপরেই স্কুল সার্ভিস কমিশন চাকরিপ্রার্থীদের দুয়ারে পৌঁছে গেল নিয়োগপত্র নিয়ে!



