নজরবন্দি ব্যুরোঃ তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার আগেই এসএসসি চাকরী প্রার্থীদের প্রত্যাশা পুরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মে মাসের নির্বাচন শেষের পরেও সেই দাবী পুরণ হয়নি। অগত্যা দীর্ঘ সময় ধরে চলছে অনশন অবস্থান জারি রেখেছেন হবু শিক্ষকরা। এখন লাগাতার অনশনেও মিলছে না উত্তর। ব্রেন স্ট্রোক অথবা আত্মহত্যায় মৃত্যু হচ্ছে হবু শিক্ষকদের।
আরও পড়ুনঃ মেধা তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের নম্বর প্রকাশ করা হোক, নির্দেশ হাইকোর্টের


আন্দোলনরত চাকরী প্রার্থীদের তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে ২০০ দিন ধরে তাঁদের রিলে অনশন। গতম, শীত এবং ঝড়কে উপেক্ষা করেই আন্দোলন জারি রেখেছেন হবু শিক্ষকরা। শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষাতে উত্তীর্ণ হয়েও বিকাশ ভবন, আচার্য সদনের সামনে অনশনে বসতে হচ্ছে তাঁদেরকে।
দুর্নীতির কারণে বঞ্চিত চাকরী প্রার্থীদের মুখ্যমন্ত্রী চাকরীর প্রত্যাশা দিলেও কোনও সদুত্তর মেলেনি। আর কতদিন আন্দোলন জারি রাখতে হবে? সরাসরী মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
এসএসসি চাকরী প্রার্থীদের কথায়, স্কুল গুলো শিক্ষকের অভাবে বন্ধ হওয়ার উপক্রম। এদিকে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীরা রাস্তায় বসে রয়েছে। ন্যায্য চাকরীর দাবীতে মেয়েদের রাত কাটে অনশন মঞ্চে। এটাই কি দিদির রাজ্যে উন্নয়ন? তাঁদের প্রশ্ন, যে স্কুল সার্ভিস কমিশন আজ আইন দেখাচ্ছে তাঁরা কোন আইনে নিজের গেজেটকে লঙ্ঘন করে নাম্বার প্রকাশ না করে মেধাতালিকা প্রকাশ করে?


কোন আইনে নিজের গেজেটে উল্লেখিত ১:১.৪ নিয়ম না মেনে নিয়োগ করে? কোন আইনে মেধাতালিকায় পেছনের সারিতে থাকা প্রার্থীকে আগে নিয়োগ দেয়? কোন আইনে মেধাতালিকাভুক্ত প্রথম দফায় ডাক পেয়েও বঞ্চনার শিকার হয়?
দুর্নীতি, অপেক্ষা, অনশন, অবশেষে মৃত্যু! বেনজির সঙ্কটের মুখে SSC চাকরি প্রার্থীরা!

আন্দোলনকারী হবু শিক্ষকদের দাবী, স্কুল সার্ভিস কমিশন নিজের গেজেটকে মান্যতা দিয়েই রেশিও মেনে ১:১.৪ অনুপাতে নিয়োগ করে আইনি পথে মেধাতালিকাভুক্ত সকলের চাকরী সুনিশ্চিত করুক। তবেই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির যথাযথ বাস্তবায়ণ হবে। তাঁদের আশা মুখ্যমন্ত্রী তাঁর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ণ করে মেধাতালিকাভুক্ত বঞ্চিত প্রার্থীদের প্রতি সুবিচার করবেন। পাশাপাশি এর মাধ্যমে স্কুলে শিক্ষক সংকট এর ও সামাধান করবেন।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



