নজরবন্দি ব্যুরোঃ বেলজিয়ামে তৈরি এক রকমের চকোলেট থেকে ছড়িয়ে পড়েছে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সালমোনেল্লা টাইফিমিউরিয়াম (Salmonella Outbreak)। বেলাজিয়ামের এই চকোলেট রফতানি হয় বিশ্বের বহু দেশেই। ব্রিটেন ও আমেরিকায় ইতিমধ্য়েই এই ব্য়াকটেরিয়ার সংক্রমণ ছড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য় সংস্থা (হু)-কে সতর্ক করে ব্রিটেন জানিয়েছে, ১১টি দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুনঃ প্রেমিক-কে চুমু খাচ্ছেন বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি, ছবি ভাইরাল, ফের বিতর্ক
এই চকোলেট (Chocolate) ইতিমধ্যেই রফতানি হয়েছে আরও ১৩৯টি দেশে। ব্রিটেনের স্বাস্থ্য় বিশেষজ্ঞরা হু-কে জানিয়েছে, গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে সালমোনেল্লা গোত্রের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, চকোলেট জাতীয় খাবার থেকেই এই ব্য়াকটেরিয়ার সংক্রমণ ছড়িয়েছে।
![]()
বেলজিয়ামে এক ধরনের চকোলেট প্রোডাক্ট তৈরি হয় যার থেকেই সালমোনেল্লা ছড়াচ্ছে। ১৩৯টি দেশে এই চকোলেট প্রোডাক্ট যায় বেলজিয়াম থেকে। ইতিমধ্য়েই ১১টি দেশে চকোলেটের মধ্য়ে ব্য়াকটেরিয়ার জেনেটিক সিকুয়েন্স ধরা পড়েছে।
২০২১ সালেও বেলজিয়ামের ফেরেরো কর্পোরেট প্ল্য়ান্টের বাটারমিল্ক ট্য়াঙ্কে এই ধরনের ব্য়াকটেরিয়া খুঁজে পাওয়া গিয়েছিল। কিনডার সারপ্রাইজ, কিনডার মিনি এগ, কিনডার সারপ্রাইজ ম্য়াক্সি জাতীয় বাচ্চাদের চকোলেটে এই ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া (Salmonella Outbreak) খুঁজে পাওয়া গেছে। কিনডার প্রোডাক্ট সারা বিশ্বেই সরবরাহ করা হয়। তাই কতজনের মধ্য়ে সংক্রমণ ছড়িয়েছে সে নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগে হু।
ব্রিটেনের স্বাস্থ্য় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিনগত রোগ দেখা দিয়েছে আক্রান্তদের মধ্য়ে। ১৫১টি এমন কেস খুঁজে পাওয়া গেছে। বেলজিয়ামে ২৬ জন, ফ্রান্সে ২৫ জন, জার্মানিতে ১০ জন, আয়ারল্যান্ডে ১১ জন, ব্রিটেনে ৬৫ জন, নেদারল্যান্ডসে ২ জন, সুইডেনে ৪ জন আক্রান্ত (Salmonella Outbreak)।
সালমোনেল্লার আড়াই হাজার সেরোটাইপ রয়েছে, এর মধ্যে টাইফিমিউরিয়াম ও এন্টেরাইডিস মানুষের শরীরে সংক্রমণ ছড়ায়। বমি, পেট খারা, ঝিমুনি ভাব, জ্বর, পেট ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দেয়। খাবার বা জলে ৬ থেকে ৭২ ঘণ্টা বেঁচে তাকতে পারে এই ব্য়াকটেরিয়া।
উদ্বেগে হু, ১১টি দেশে সংক্রমণ, রফতানি হয়েছে আরও ১৩৯টি দেশে

সংক্রমণ হলে প্রায় সাত দিন অবধি জ্বর, পেট ব্যথা থাকতে পারে। অনেক সময় পেটে ভয়ানক সংক্রমণ, ডায়ারিয়াও হয়। বাচ্চা ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে এই ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে ডিহাইড্রেশন হতে পারে। রোগ বাড়াবাড়ি হয়ে প্রাণঘাতীও হয়ে ওঠে কোনও কোনও সময়ে।



