টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালের আগে উত্তেজনা তুঙ্গে। রবিবার আহমেদাবাদের Narendra Modi Stadium-এ মুখোমুখি হতে চলেছে India national cricket team এবং New Zealand national cricket team। ২০২৬ সালের ICC Men’s T20 World Cup 2026-এর শিরোপা লড়াই ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে ভবিষ্যদ্বাণী করে ভারতকেই এগিয়ে রাখলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক Sourav Ganguly।
ফাইনালের আগে সৌরভ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, তাঁর মতে ভারতই এই ম্যাচে জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার। তিনি বলেন, “ভারত খুব শক্তিশালী দল। দলের প্রত্যেক খেলোয়াড় ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। আমার বিশ্বাস ভারতই বিশ্বকাপ জিতবে।”
ভারতের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই তাঁর এই আত্মবিশ্বাসের মূল কারণ। টুর্নামেন্ট জুড়ে ব্যাটিং ও বোলিং—দুই বিভাগেই দুর্দান্ত খেলেছে ভারতীয় দল। ঘরের মাঠে খেলাও বড় সুবিধা হতে পারে বলে মনে করছেন অনেক ক্রিকেট বিশ্লেষক।
ফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে পিচ
আহমেদাবাদের মোতেরার এই স্টেডিয়ামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এখানে একাধিক ধরনের পিচ রয়েছে। লাল মাটি, কালো মাটি এবং দুই মাটি মিশিয়ে তৈরি হাইব্রিড পিচ—সবই রয়েছে এই মাঠে। প্রতিটি পিচের আচরণ আলাদা হওয়ায় ম্যাচের ফলাফলেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে।
কালো মাটির পিচে ম্যাচ যত এগোয়, ব্যাটিং তত কঠিন হয়ে ওঠে। বল কিছুটা থেমে আসে এবং বোলাররা বাড়তি সুবিধা পায়। অন্যদিকে লাল মাটির পিচে বলের বাউন্স ও গতি বেশি থাকে, ফলে ব্যাটারদের জন্য রান করা তুলনামূলক সহজ হয়।
এই টুর্নামেন্টেই কালো মাটির পিচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিল ভারতীয় দল। তাই ফাইনালে পিচ কেমন হবে, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।
হাইব্রিড পিচ ব্যবহারের সম্ভাবনা
সূত্রের খবর, ফাইনালের জন্য লাল ও কালো মাটি মিশিয়ে তৈরি হাইব্রিড পিচ ব্যবহার করা হতে পারে। এই ধরনের পিচে সাধারণত ব্যাটার ও বোলার—দু’পক্ষই কিছুটা সুবিধা পায়। ফলে ম্যাচ আরও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। স্টাম্প ক্যামেরা বসানোও শুরু হয়নি, যা সাধারণত পিচ চূড়ান্ত হওয়ার পরই করা হয়। মাঠের কর্মীরা একটি নির্দিষ্ট স্ট্রিপকে বিশেষভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই হাইব্রিড পিচে টুর্নামেন্টে খুব কম ম্যাচই হয়েছে। আগে দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম কানাডা ম্যাচে এটি ব্যবহার করা হয়েছিল, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকা ২০০-র বেশি রান তুলেছিল। সেই ম্যাচের পর থেকে পিচটি প্রায় অক্ষতই রয়েছে।
সব মিলিয়ে, ফাইনালের আগে প্রশ্ন একটাই—পিচের আচরণ কোন দলের পক্ষে যাবে? তবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিশ্বাস, যে পিচই হোক না কেন, শেষ হাসি হাসবে ভারতই।



