নজরবন্দি ব্যুরো: মেঘভাঙা বৃষ্টি, তার অপর আবার হড়পা বান! বানভাসি সিকিমে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে এগাচ্ছে। যদিওবা এই মুহূর্তে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হওয়ায় পুরোদমে চলছে উদ্ধারকাজ। কিন্তু মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাছাড়াও পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দপাধ্যায়ের নির্দেশে সেখানে যাচ্ছেন রাজ্যের মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস।
আরও পড়ুন: হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার ডাক্তারি ছাত্রীর দেহ, মৃত্যুর ঘটনায় ঘনাচ্ছে রহস্য


শনিবার সিকিম প্রশাসনের তরফে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬। তবে উদ্ধারকাজ এগোলে মৃতের সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মূলত তিস্তা নদীর পাড় থেকেই একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত সিকিম থেকে উদ্ধার হয়েছে ২৬ জনের দেহ। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ থেকে ৩০ জনের দেহ। এছাড়াও সেনা জওয়ান সহ এখনও ১৪২ জনের কোনও খোঁজ মেলেনি।

সিকিম প্রশাসন সূত্রে খবর, মংগন জেলা থেকে ৪, গ্যাংটক থেকে ৬, পাকিয়ং থেকে ১৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই উদ্ধার হওয়ার মধ্যে রয়েছে সাত জওয়ানের দেহ। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার থেকে মোট ৩০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। অন্যদিকে, হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সিকিমের অন্তত ২৫ হাজার মানুষ। তাছাড়াও ১২০০ টি ঘর ভেসে গিয়েছে, ভেঙে গিয়েছে ১৩টি সেতু, রাস্তাও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত।



তবে সিকিম কবে এই ক্ষত সারিয়ে উঠতে পারবে, তা বলা কঠিন। জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত বানভাসি সিকিম থেকে ২৪১৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তাছাড়াও ২২ টি ত্রাণ শিবিরে ৬৮৭৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। একইসঙ্গে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং মৃতের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন।
বানভাসি সিকিমে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা, এখনও পর্যন্ত ২৪১৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে








