নজরবন্দি ব্যুরো: দেশে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও খাদ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে। আর ঠিক চার মাস আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জোর গলায় বলেছিলেন যে ভারত এখন বিশ্বের ক্ষুধা নিবারণের জন্য তৈরি। তবে সেই ঘোষণার কয়েক মাস যেতে না যেতেই বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। দেশে এখন মজুত শস্যের পরিমাণ গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
আরও পড়ুন: দিলীপের সিবিআই-সেটিং তত্ত্ব আসলে ‘শুভেন্দুকে গ্রেফতার করানোর কৌশল’ : বিস্ফোরক কুণাল
যার জেরে দাম বাড়ছে আটা ময়দা ও গমের । এই আবহে ভারতকে গম আমদানি করতে হতে পারে। উল্লেখ্য কয়েকদিনের মধ্যেই গম রপ্তানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ভারত। আন্তর্জাতিক মহলে কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট সমালোচিত হয়েছিল।

উল্লেখ্য, বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গম উৎপাদক ভারত। তবে ভারত কোনও কালই গম রফতানিকারক হিসেবে শীর্ষ স্থানে ছিল না। এই আবহে কম উৎপাদনের কারণে এবারও গম রফতানি করতে পারেনি ভারত। এহেন পরিস্থিতিতে ব্লুমবার্গের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, বর্তমানে গমের আমদানির উপরে যে ৪০ শতাংশ কর রয়েছে, তা কমিয়ে বা তুলে দিয়ে দেশের গমের মিলগুলিকে আমদানির অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
গম উৎপাদনে ঘাটতি, খাদ্য সঙ্কটের মুখে ভারত

রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধের জেরে বিশ্বের গম সরবরাহে প্রভাব পড়েছে। যদিও বিশ্ব বাজারের তুলনায় ভারতে গমের দাম কম রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে খাদ্য সংকটের আশঙ্কা দেখা দিলেও ভারত সরকারের তরফে সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া হল। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, গমের উৎপাদন সঙ্কটের কারণে এবার ভারত বিদেশ থেকে গম আমদানি করবে, এই তথ্য সম্পূর্ণ ভুল। কেন্দ্রের এমন কোনও পরিকল্পনা নেই। দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য যথাযথ গমের জোগান রয়েছে।









