নজরবন্দি ব্যুরোঃ এসএসির দুর্নীতির মামলায় নিজের পর্যবেক্ষণ দিতে গিয়ে বিচারপতিকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “মনে হচ্ছে সিবিআই-এর থেকে সিট ভাল। কোনও আশার আলো দেখতে পাচ্ছি না।” এবার সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করতে দেখা গেল দিলীপ ঘোষকে। তৃণমূলের সাথে সিবিআই-এর সেটিং তত্ত্ব সামনে এনেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি। যা নিয়েই চাপানউতর শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সাথে সাথেই জবাব দিয়েছে তৃণমূল।
আরও পড়ুনঃ পার্থকে ভয় দেখিয়ে কমিশন চাইতেন অর্পিতা, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

দিলীপের দাবি, “তৃণমূলের সঙ্গে সেটিং হয়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থার। আঁতাতের আঁচ পেয়েই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।” একইসঙ্গে দিলীপ বলেন, “গত কয়েক মাস ধরে এখানে সিবিআই তদন্ত চলছে। কিন্তু, কেউ ধরা পড়ছিল না। কোনও এফেক্ট পড়ছিল না, কোনও ডকুমেন্ট আসছিল না! এর কারণ কী? সর্ষের মধ্যে ভূত ছিল। খবর আছে, এটা জানার পরেই কিছু অফিসারকে পরিবর্তনও করা হয়েছে। যথারীতি যা হয় আর কী, সবাই বিক্রি হয়। তার দাম থাকে। কেউ লক্ষে হয়, কেউ কোটিতে। সে ভাবে বিক্রি হচ্ছিল। এটা সরকার বুঝতে পেরেছে। আমি যতদূর শুনেছি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বিশেষ প্রয়াসে শেষে ইডি এসেছে। তারপর কাজ শুরু হয়েছে।”
দিলীপের সিবিআই-সেটিং তত্ত্ব আসলে ‘শুভেন্দুকে গ্রেফতার করানোর কৌশল’ : বিস্ফোরক কুণাল

দিলীপের পাল্টা দিয়েছেন কুণাল। তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, “বিকৃত ভাবনা, বিকৃত ভাষা। কোনও সুস্থ রাজনৈতিক লোক, যিনি আবার কেন্দ্রের শাসকদলের সাংসদ, তাঁর মুখে এই ভাষা শোভা পায় না। কীসের সেটিং? আপনার তো কেন্দ্রে রয়েছেন! আপনার দলের নেতা অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদী। সিবিআই তাঁদের অধীনে। তাহলে কাদের সেটিং?”

বঙ্গ বিজেপি-তে দিলীপের তুলনায় তৃণমূল ছেড়ে যাওয়া শুভেন্দু অধিকারীর গুরুত্ব বৃদ্ধি নিয়ে খোঁচা দিয়ে বিজেপি-র অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের তত্ত্ব খুঁচিয়ে দেন কুণাল। তিনি বলেন, “দিলীপ কি খুচিয়ে বলে দিলেন যে, সেটিং করে শুভেন্দুকে এফআইআর-এর বাইরে রাখা হয়েছে! কহিঁ পে নিগাহেঁ, কহিঁ পে নিশানা! উনি কি চাইছেন যে, নিজেদের নিরপেক্ষ প্রমাণ করতে শুভেন্দুকে গ্রেফতার করুক সিবিআই!
শুভেন্দুকে গ্রেফতার করানোর কৌশলে এই বিবৃতি দিচ্ছেন দিলীপ। সিবিআই, ইডি কেন্দ্রের অধীনে। কে, কার সঙঅগে সেটিং করেছে! উনি যে সংবাদমাধ্যমকে গরম করছেন, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠই দিয়েছেন? অমিত শাহকে গিয়ে বলেছেন?”



