নজরবন্দি ব্যুরোঃ শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এখন পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায় জেল হেফাজতে রয়েছেন। কিন্তু তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে উঠে আসছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ইডি সূত্রে খবর, পার্থকে ভয় দেখিয়ে কমিশন চাইতেন অর্পিতা। যেটা ইদির তদন্তের ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ CPIM: চলছিল জ্যোতি বসু সংগ্রহশালার অর্থ সংগ্রহ, বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল
সূত্রের খবর, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে বারবার কমিশন নিতেন অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়। কারণ, প্রথমে টাকা রাখা হত অর্পিতা হরিদেবপুরের ফ্ল্যাটে। পরে এই টাকা রাখার স্থায়ী জায়গা হয়ে ওঠে বেলঘড়িয়ায় অর্পিতা মুখ্যোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে নিজের ফ্ল্যাটে টাকা রাখার জন্য টাকা নিত অর্পিতা। এমনটাই সূত্র মারফত জানা গেছে। এমনকি এর জন্য প্রাক্তন মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। এমনটাই বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে।

এমনিতেই ইডির একাধিক প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন তিনি অর্পিতাকে চেনেন না। শুধুমাত্র নাকতলার পুজোতেই তাঁর সঙ্গে কয়েকবার দেখা হয়েছিল। তাহলে অর্পিতার দুটি ফ্ল্যাটে বিপুল অঙ্কের টাকা এল কীভাবে? এর পিছনে কী কারণ রয়েছে? সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছে ইডি।

সূত্রের খবর, সমস্ত ফাঁস করে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে পার্থর কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন অর্পিতা। পরে অর্পিতার সঙ্গে ৩০ শতাংশ চুক্তি হয়েছিল। তাই অর্পিতার জীবনবীমাতে দেওয়া ছিল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন নম্বর। যদিও অর্পতা দাবি করেছেন, ওই টাকা সম্পর্কে তিনি অবগত ছিলেননা। বরং তাঁর অজান্তে দুটি ফ্ল্যাটে টাকা রাখা হয়েছিল। যা উদ্ধার হটেই শোরগোল পড়ে যায়।
পার্থকে ভয় দেখিয়ে কমিশন চাইতেন অর্পিতা, বিরাট তথ্য

সূত্রের খবর, প্রাক্তন মন্ত্রীর টাকা নিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন ছিল অর্পিতার। এমনকি একবার টাকা নিয়ে অন্য রাজ্যে চলে গিয়েছিল অর্পিতা। পরে তাঁকে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। তারপর থেকেই এই দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ে অর্পিতার নাম।



