দেশের শেয়ার বাজারে টানা দ্বিতীয় দিনেও বড় পতন অব্যাহত। বুধবারের ধাক্কার পর বৃহস্পতিবারের ট্রেডিং সেশনেও লাল হয়েছে সেনসেক্স ও নিফটি৫০। দিনের শেষে সেনসেক্স ৬৭১ পয়েন্ট বা ০.৯২ শতাংশ পড়েছে। অন্যদিকে, নিফটি৫০ কমেছে ২৩৫ পয়েন্ট বা ১.০৪ শতাংশ।
বাজারের এই টানা পতনে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বুধবার রেপো রেট বৃদ্ধির খবরের পরই বাজারে চাপ তৈরি হয়েছিল। সেই পতনের রেশ বৃহস্পতিবারের লেনদেনেও বজায় থাকল।
সেনসেক্স-নিফটিতে বড় পতন
বৃহস্পতিবার দিনের শেষে সেনসেক্সের পতন ৬৭১ পয়েন্টে দাঁড়ায়। শতাংশের হিসাবে সূচকটি ০.৯২ শতাংশ নেমেছে। একইসঙ্গে নিফটি৫০-ও উল্লেখযোগ্য পতনের মুখে পড়ে।
নিফটি৫০ দিনের শেষে ২৩৫ পয়েন্ট বা ১.০৪ শতাংশ কমেছে। ফলে বাজারের দুই প্রধান সূচকেই স্পষ্ট পতনের ছবি দেখা গিয়েছে।
কোন সেক্টরে কেমন পরিস্থিতি?
বৃহস্পতিবারের বাজারে অবশ্য সব সেক্টর একই পথে হাঁটেনি। অধিকাংশ সেক্টরাল ইনডেক্সে পতন দেখা গেলেও ব্যতিক্রম ছিল তথ্যপ্রযুক্তি বা আইটি ক্ষেত্র।
নিফটি আইটি সেক্টরাল ইনডেক্স দিনের শেষে ১ শতাংশের বেশি বেড়েছে। অর্থাৎ সামগ্রিক বাজার যখন চাপের মধ্যে ছিল, তখন আইটি শেয়ারে তুলনামূলক ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গিয়েছে।
অন্যদিকে, নিফটি পিএসইউ ব্যাঙ্ক সেক্টরাল ইনডেক্স প্রায় ফ্ল্যাট ছিল। অর্থাৎ এই সূচকে বড়সড় উত্থান বা পতন কোনওটাই দেখা যায়নি।
তবে আইটি ও পিএসইউ ব্যাঙ্কের ব্যতিক্রম ছাড়া বাকি সমস্ত সেক্টরাল ইনডেক্সের গ্রাফ লাল ছিল। ফলে বৃহস্পতিবারের বাজারে সামগ্রিকভাবে বিক্রির চাপই বেশি ছিল।
পরপর দু’দিন বাজারে চাপ
বুধবার রেপো রেট বৃদ্ধির খবর সামনে আসার পর থেকেই শেয়ার বাজারে পতন শুরু হয়েছিল। তার পরের দিনও সেই চাপ কাটেনি। ফলে পরপর দুই ট্রেডিং সেশনে বাজারের দুর্বল ছবি সামনে এল।
বিনিয়োগকারীদের নজর এখন পরবর্তী ট্রেডিং সেশনের দিকে। বাজারের এই পতন কতটা স্থায়ী হয় এবং কোন সেক্টরগুলি ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেদিকেই নজর থাকবে।



