নজরবন্দি ব্যুরো: এনসিপি সভাপতি থাকছেন শরদ পাওয়ার। শুক্রবার কমিটির বৈঠকের পর এই মর্মে একটি প্রস্তাবনা পাশ করানো হয়। এমনকি শরদ পাওয়ার যে ইস্তফাপত্র দিয়েছিলেন তাও খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে খবর। প্রবীণ নেতার উত্তরসূরি কে হবে এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছিল। নাম উঠে এসেছিল অজিত পাওয়ার এবং সুপ্রিয়া সুলের। তবে সমস্ত জল্পনার ইতি ঘটল এদিন।
আরও পড়ুন: Sharad Pawar-এর উত্তরসূরি কে, আজকের বৈঠকে হবে ভবিষ্যৎ নির্ধারণ
গত মঙ্গলবার নিজের আত্মজীবনী প্রকাশের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের তিনবারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শরদ পাওয়ার। তিনি বলছিলেন, “১ মে ১৯৬০ থেকে ১ মে ২০২৩, দীর্ঘ সময়ের জন্য জনগণের মাঝে ছিলাম। এবার পিছনে সরে দাঁড়ানোর সময়। এবার নতুন প্রজন্মের এই দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়।” তবে তিনি যে রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন না একথাও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। তাঁর এই ঘোষণার পর দলের নেতা কর্মীরা রুখে দাঁড়ায়। সভাপতি পদ থেকে শরদ পাওয়ারের ইস্তফার বিরোধিতা করেন। এরপর এনসিপি প্রধান নিজের সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা করার জন্য দু-তিনদিনের সময় চেয়ে নেন।

শুক্রবার শরদ পাওয়ারের গঠিত কমিটি বৈঠকে বসেন। সভাপতি পদে কে থাকবেন? নাম উঠে এসেছিল শরদ পাওয়ারের মেয়ে এবং রাজ্যসভার সদস্য সুপ্রিয়া সুলে, ভাইপো অজিত পাওয়ার, প্রফুল প্যাটেল এবং ভুজবল। দলের বরিষ্ঠ নেতা ছগ্গন ভুজবল বলেছিলেন, “অজিত পাওয়ারের উচিৎ রাজ্যের দায়িত্ব নেওয়া এবং সুপ্রিয়ার নেওয়া উচিৎ জাতীয় রাজনীতির দায়িত্ব। শরদ পাওয়ার সভাপতি পদ থেকে সরলে সেই দায়িত্ব নেওয়া উচিৎ সুপ্রিয়ার।” তবে এখনই তা হচ্ছে না। ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টির সভাপতি থাকছেন শরদ পাওয়ারই।

Sharad Pawar-ই থাকছেন NCP সভাপতি, কমিটির প্রস্তাবনা পাশ

উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী জোট তৈরি করছে দেশের বিরোধী দলগুলি। সেই লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরামর্শ মেনেই চলতি সপ্তাহে পাটনাতে বিরোধীদের বৈঠক হবে। তবে সেখানে এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ার উপস্থিত থাকবেন কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।



