নজরবন্দি ব্যুরোঃ শান্তনু ঠাকুরের বিষয়টি বিজেপির অভ্যন্তরীণ বিষয়। এনিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেবে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সমস্ত বিজেপির হোয়াটাসঅ্যাপ গ্রুপ ত্যাগের প্রসঙ্গে সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি জানিয়েছেন, যেহেতু এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়নি তাই শান্তনু ঠাকুরের বিষয় অভ্যন্তরীণ। সিদ্ধান্তের বল কেন্দ্রের নেতাদের কোর্টে ঠেলে দিলেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ বিজেপি ছাড়ছেন শান্তনু সহ ৫ বিধায়ক! বিকেলের বৈঠক ঘিরে জল্পনা
উল্লেখ্য, সোমবারেই বিজেপির সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়ার পরেই সোমবার বিকেলে ৫ বিক্ষুব্ধ বিধায়কদের নিয়ে বৈঠকের কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের। তখন থেকেই জল্পনা ছিল তবে কী বিজেপি ছাড়তে চলেছেন তিনি? কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বক্তব্য বঙ্গ বিজেপির বর্তমান নেতৃত্বের শান্তনু ঠাকুর এবং মতুয়া সমাজের ভোট নিষ্প্রয়োজন। তাই আমারও ওই সব গ্রুপে থাকার দরকার নেই। মন্ত্রীত্ব ছাড়ব কিনা পরে জানাবো। সময় এলে জবাব দেবো।

এদিন মঙ্গলবার বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কির্তনীয়া, গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, রাণাঘাটের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী এবং কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায়দের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের কথা রয়েছে তাঁর। হরিণঘাটার বিধায়ক জানিয়েছেন, গতকাল রাতেই শান্তনু ঠাকুর ফোন করে বৈঠকের কথা জানিয়েছেন। যারা উদ্বাস্তুদের বিষয়ে ভাবে না তাঁদের সঙ্গে আমি নেই। সাফ জানিয়ে দেন তিনি। বিধায়ক এবং সাংসদদের মন্তব্য ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।
শান্তনু ঠাকুরের বিষয় ‘অভ্যন্তরীণ’, সুকান্ত বচন

১৯ এর নির্বাচনে বাংলা থেকে ১৮ টি আসন পায় বিজেপি। সেবার বিজেপির পালে হাওয়া দিয়েছিলেন মতুয়ারা। বিরাট ফ্যাক্টর এখন তৃণমূলের দিকে ফিরতে শুরু করলেও এখনও কিছু আসন ধরে রাখতে পেরেছে বিজেপি। তাই তাঁদের ছেড়ে কী বিজেপি সিদ্ধান্ত নেবে? ঠাকুরবাড়ির দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।



