নজরবন্দি ব্যুরোঃ কে আসল স্ত্রী? অর্জুনের বিরুদ্ধে এবার নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করলেন করলেন সোমনাথ শ্যাম। নির্বাচন কমিশনের কাছে সাংসদ অর্জুন সিং যে হলফনামাটি জমা দিয়েছেন, তাতে ভুল তথ্য পেশ করা হয়েছে। এই অভিযোগ করে কমিশনের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন ‘ব্যারাকপুর পার্লামেন্ট কন্সটিটিউনসি’ তে গত ১৭ই এপ্রিল, ২০১৯ -এ সাংসদ যে মনোনয়ন পত্রটি জমা করেছেন, তাতে ভুল তথ্য পেশ করা হয়েছে। এই অভিযোগ যদি সত্য বলে প্রমাণিত হয় তাহলে সাংসদ পদ খারিজ পর্যন্ত হতে পারে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।
আরও পড়ুনঃ ‘মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নিয়ে ভাববেন না, নিজেদের কাজ করুন!’ কর্মীদের নির্দেশ শাহর
সোমনাথ শ্যাম অভিযোগ করেছেন, এপিডেপিটে অর্জুন সিং স্ত্রীর জায়গায় ঊষা দেবী সিং এর নাম লিখেছেন। যেখানে শ্রীমতী শ্রাবন্তী সিং তাঁর স্ত্রী। গোটা ঘটনাটিকে নির্বাচন কমিশনের সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। তবে শ্রাবন্তি না ঊষা! কে স্ত্রী? যার স্কুল সার্টিফিকেটে সাংসদ অর্জুন সিং-এর মত জনৈক অর্জুন সিং এর সই রয়েছে সেই ছেলে কার! এইনিয়ে এখনও মুখ খোলেননি সাংসদ।

মনোনয়ন পত্রের দেওয়া নথি ঠিক না ভুল তাও জানেন না সাধারণ মানুষ। খবরের কাগজ নামক পোর্টালে এধরণের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশের পর নেটিজেনদের মনে সন্দেহের দানা বাধছে। বলা হয়েছে অর্জুন সিং নামে যাঁকে আমরা চিনি, সেই বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের নির্বাচনী হলফনামা বলছে তাঁর স্ত্রীর নাম ঊষা দেবী সিং। অর্জুনের ছেলে পবনও তো সবার পরিচিত। এখন বিধায়কও বটে। কিন্তু সে তো ওই বালক নয়! এই অর্জুন সিং এর ছেলের বার্থ সার্টিফিকেট ও স্কুল রেজিস্ট্রেশন ফর্ম বলছে অন্য কথা। সেখানে অর্জুন সিং-এর স্ত্রীর নাম শ্রাবন্তি সিং।
কে আসল স্ত্রী? জনৈক বালকের স্কুলের ভর্তির ফর্মে অভিভাবকের যে সই, সেখানে অর্জুন সিংয়ের সইয়ের সঙ্গে এই অর্জুন সিংয়ের সইয়ের দারুণ মিল। এখানেই প্রশ্ন উঠছে উষা দেবী সিং এবং শ্রাবন্তি সিং কি আসলে একজন? নাকি দুজন! কোনটা ঠিক, তা বলবেন স্বয়ং অর্জুন। যদি জনৈক অভিযোগকারীর অভিযোগ ঠিক হয় তাহলে সমস্যায় পড়তে পারেন সাংসদ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজেপির শীর্ষ অন্দরমহলেও এই বিষয়টি পৌঁছেছে। মূলত আদি বিজেপি নেতারা এটি নিয়ে চর্চা চালাচ্ছেন।
সাংসদ অর্জুন সিংয়ের সঙ্গে শিগগিরই কথা বলবেন তাঁরা। কারণ, যদি সত্যিই এটি তিনি হন তাহলে নির্বাচনে হলফনামায় অসঙ্গতির প্রশ্ন আসবে। সূত্রের খবর, এর মধ্যে জড়িত এক পারিবারিক মহল এই বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব কাগজপত্র বিজেপির এক শীর্ষনেতাকে দিয়ে এসেছেন। এবং ‘সংশ্লিষ্ট অর্জুন সিংয়ের চারিত্রিক নৈতিকতার বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে’। তিনি পদাধিকারীও বটে। আপাতত তাঁরা সবটা খতিয়ে দেখছেন।’



