নজরবন্দি ব্যুরোঃ পাঞ্জাব সফরে গিয়েও বাতিল হয় প্রধানমন্ত্রীর কর্মসুচী। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ইস্যুতে পাঞ্জাব সরকারের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতি কোথায়? তা জানতে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
আরও পড়ুনঃ মাস্ক ছাড়াই এলাকা দাপালেন TMC বিধায়ক, তবে কি শাসক দলের জন্য অন্য নিয়ম? প্রশ্ন BJP-র


এদিন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা, বিচারপতি সূর্যকান্ত এবং বিচারপতি হিমা কোহলির ডিভিশন বেঞ্চে চলে মামলার শুনানি। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে করা হবে নেতৃত্ব। এর জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের তরফে যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা স্থগিত রাখার কথা বলা হয়েছে। প্যানেলে থাকতে পারেন ডিজিপি চন্ডিগড়, এনআইএ আইজি, এছাড়াও অ্যাডিশনাল ডিজিরাও।
এদিন শুনানি চলাকালীন পাঞ্জাব সরকারের আইনজীবী ডিএস পাটওয়ালিয়া আদালতকে জানান, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানা হাইকোর্টের রেজিস্টার জেনারেল ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি বিবেচনাধীন রেখেছেন। একইসঙ্গে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সাত জন পুলিশ অফিসারকে শোকজ করা হয়েছে। যদিও মামলাকারীদের দাবী ছিল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ থাকার বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত। সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ নিয়ে মুখ্যসচিব এবং ডিজিপিকে তলব করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেই পাঞ্জাবের ফিরোজপুরে একটি কর্মসূচী ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ভাতিন্ডা বিমানবন্দর থেকে প্রথমে হেলিকপ্টারে যাওয়ার কথা হলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সড়কপথে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর যাত্রাপথেই ঘটে বিপত্তি। কৃষকদের বিক্ষোভ দেখে গন্তব্যস্থল থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার আগেই দাঁড়িয়ে থাকে প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। ২০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকার পর সমস্ত কর্মসূচী বাতিল করে ভাতিন্ডা বিমানবন্দর ফিরে যান প্রধানমন্ত্রী।


প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গলদ কোথায়? তদন্তের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

এখানেই শেষ হয়নি। বিষয়টি নিয়ে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয় কেন্দ্র সরকার। নিরাপত্তার প্রশ্ন তুলে পাঞ্জাবের কংগ্রেস সরকারকে কাঠগড়ায় তোলে বিজেপি। পাল্টা কংগ্রেসের তরফে বক্তব্য দিয়ে বলা হয়, ফিরোজপুরের সভায় লোক হয়নি। খালি চেয়ারের খবর পেয়েই সমস্ত সভা বাতিল করেছেন প্রধানমন্ত্রী।







