নজরবন্দি ব্যুরোঃ ফের পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন সায়ন্তন বসু । এদিন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সংবাদমাধ্যমকে সরাসরি বলেন, এক বিজেপি বিধায়ককে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য উত্তরবঙ্গের পুলিশ সুপার চাপ দিচ্ছেন। তবে ওই পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লেখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এদিন সায়ন্তন বসু অভিযোগ করে বলেন, “উত্তরবঙ্গের এক জেলার পুলিশ সুপার বিজেপি বিধায়ককে ডেকে তৃণমূলে যোগদান করতে বলছেন। আমরা ওই পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি লিখে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।”
ফের বিস্ফোরক মন্তব্য সায়ন্তন বসু সুর চড়িয়ে বলেন , “অনেক পুলিশকর্মী আছেন যাঁদের কালীঘাটে গিয়ে প্রসাদ দিয়ে আসতে হয়। দক্ষিণা দিতে হয়। কালীঘাটে নতুন মন্দির হয়েছে সেটা মায়ের মন্দির নয়। সেটা পিসির মন্দির। কোন কিছু করতে গেলেই প্রসাদ দিতে হয়। এখানে অনেক পুলিশ অফিসারকে বখরা পাঠাতে হয়।” এমনকি এদিন নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে সায়ন্তন বসুর হুঁশিয়ারি দেন, “আর ছ’মাস খেয়ে খাইয়ে নিন। তারপর ব্যবস্থা হবে।”
আরও পড়ুনঃhttp://পুজোর আগে কমতে পারে আলুর দাম, বাড়তি জোগান আশা দিচ্ছে ক্রেতাদের
দুর্নীতির অভিযোগে বৃহস্পতিবার সায়ন্তন বসুর নেতৃত্বে জলপাইগুড়ি অরবিন্দ গ্রামপঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। বিজেপির অভিযোগ, সেই সময় বিনা প্ররোচনায় মিছিলের উপর হামলা করে তৃণমূল। যার জেরে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক গুরুতর জখম হন। বিজেপির মিছিলের সামনে থাকা টোটো, রিক্সা ভেঙে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে পুলিশের উপর হামলা করা হয়। যার জেরে গুরুতর জখম হন ধূপগুড়ি থানার এক পুলিশ আধিকারিক। অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা পরিকল্পনা করে পঞ্চায়েত অফিসে উপস্থিত থাকা তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু বলেন, “পুলিশকে ব্যবহার করে রাজ্যের সর্বত্রই শাসক দলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। মানুষ বেশিদিন এই সব সহ্য করবে না। মানুষই এর বিরুদ্ধে জবাব দেবে।”



