বাংলায় সরস্বতী পুজো উদযাপন নিয়ে বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরনের ঘটনা ঘটেছে। কোচবিহারের দিনহাটার পিকনিধারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরস্বতী পুজো অনুষ্ঠানের সময় ঘিরে এক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। এই স্কুলে নির্দিষ্ট দিনে সরস্বতী পুজো হয়নি, যা নিয়ে অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে, পরিস্থিতি সামলাতে বুধবার সকালে স্কুলে জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে সরস্বতী পুজো অনুষ্ঠিত হয়।
দিনহাটায় সরস্বতী পুজো: অভিভাবকদের বিক্ষোভের পর পুজো আয়োজন


পিকনিধারা প্রাথমিক স্কুলে সরস্বতী পুজো না হওয়ায় মঙ্গলবার গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল, স্কুলে সরস্বতী পুজো হওয়া চাই। পরে, আর্থিক সমস্যা ও প্রস্তুতির কারণে নির্দিষ্ট দিনে পুজো করা সম্ভব হয়নি। তবে বুধবার পুজোর আয়োজন করা হয় এবং স্কুলের শিক্ষকরাও এতে সহায়তা করেন। এতে অংশগ্রহণ করেন অভিভাবকরা এবং গ্রামবাসীরা। স্কুলে এই পুজোর আয়োজন শুধু সরস্বতী পুজো দিয়েই সীমাবদ্ধ ছিল না, সেখানে খাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়।
শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে পুজো না হওয়ায় ক্ষোভ
অন্যদিকে, পিকনিধারার একটি শিশু শিক্ষা কেন্দ্রে সরস্বতী পুজো না হওয়ার কারণে সেখানেও ক্ষোভ প্রকাশ পায়। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তাঁরা বারবার পুজো করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন, কিন্তু তবুও তা হয়নি। এই স্কুলেও একই আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করা সম্ভব হয়নি, তবে ভবিষ্যতে যাতে পুজো করা যায়, সে ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।


বাঁকুড়ায় প্রধান শিক্ষককে ঘরে তালাবন্দি
এদিকে, বাঁকুড়ার সোনামুখী এলাকার একটি স্কুলে সরস্বতী পুজো না হওয়ার ঘটনায় একটি অদ্ভুত ঘটনা ঘটে। স্কুলের প্রধান শিক্ষককে অভিভাবকরা ঘরের মধ্যে তালাবন্ধ করে রাখেন। অভিযোগ, ওই স্কুলে পুজো আয়োজন না হওয়ায় ছাত্ররা উপোস অবস্থায় ছিল এবং শেষে বাড়ি ফিরে গিয়েছিল। প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ব্যক্তিগত কারণে পুজো বন্ধ করে দেন, কিন্তু অভিভাবকদের কিছু জানাননি। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে প্রধান শিক্ষক বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
সরস্বতী পুজোকে ঘিরে বাংলায় উত্তেজনা
এবারের সরস্বতী পুজোকে ঘিরে বাংলার নানা প্রান্তে উত্তেজনা দেখা গেছে। কোথাও পুলিশ পাহারায় পুজো অনুষ্ঠিত হয়েছে, আবার কোথাও পরের দিন সরস্বতী পুজো আয়োজন করা হয়েছে। এই পুজো কেন্দ্রিক ঘটনার ফলে স্কুল ও সমাজে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।








