নজরবন্দি ব্যুরোঃ গতমাসেই ইউক্রেন আক্রমনের নির্দেশ দেন রুশ প্রেসিডেণ্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তারপর যত সময় এগিয়েছে ইউক্রেন জুড়ে তাণ্ডব দেখিয়েছে মস্কো। পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েনি ইউরোপের এই ছোট্ট দেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় একের পর এক রুশবিমান ধ্বংস করেছে ইউক্রেনীয় সেনা। তবে রাষ্ট্রপুঞ্জের আন্তর্জাতিক আদালতের তরফে যুদ্ধ থামানোর নির্দেশ দেওয়া হলেও তা মানতে নারাজ পুতিনের দেশ। সেনাদের উপর আক্রমণের পাশাপাশি এবার জেলেনস্কির দেশে লুটপাট চালাচ্ছে রুশ সেনা।


জানা গিয়েছে, আজ ইউক্রেনের স্লাভুতিচ শহর নিজেদের দখলে নিয়েছে মস্কো। প্রথমেই সেখানকার মেয়রকে অপহরন করা হয়। তারপর গোটা শহর জুড়ে লুটপাট চালাতে শুরু করে রুশ সেনা। এইরূপ পরিস্থিতির আঁচ আগেভাগেই পেয়েছিলেন শহরের ওই মেয়র। তাই গতকালই নিজের নেটমাধ্যমে লিখেছিলেন, ইউক্রেনীয় বাহিনীর অসমসাহসী লড়াই চালানোর মানসিকতা থাকলেও রুশদের থামানো যথেষ্ট কঠিন হতে চলেছে। তারপর আজ স্লাভুতিচের দখল নেয় রাশিয়া।
যা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছে ন্যাটো। তবে এক আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থার তরফে জানা গিয়েছে, এই লুটপাটের ঘটনা প্রথম নয়। গত মাসের ২১ মার্চ থেকেই নাকি খেরসন সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চল গুলিতে যথেচ্ছ লুটপাট চালাচ্ছে পুতিনের সেনা। শহরের অলিতে গলিতে জমেছে মৃতের স্তূপ। সেইসঙ্গে নাকি দেখা দিয়েছে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্কট।
জেলেনস্কির দেশে লুটপাট চালাচ্ছে রুশ সেনা, চিন্তায় নাগরিকরা

যারফলে, শহরের রাজপথে নেমেছে প্রতিবাদ মিছিল। তবে সেখানেও দেখা দিয়েছে রুশ আগ্রাসন। প্রতিবাদীদের অনেকেরই অভিযোগ তাদের মারধর করার পাশাপাশি বন্দি ও করা হয়েছে কয়েকজনকে। অপরদিকে, গত শনিবার বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছে ইউক্রেনের লিভিভ শহর। যেখান থেকে মাত্র ৪৫ মেইল দূরে পোল্যান্ডে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যা আলোড়ন তৈরি করেছে আন্তর্জাতিক মহলে।









