নজরবন্দি ব্যুরোঃ একেই বলে কৃষ্ণলীলা। লাগাতার তিনবার। শেষ তিন ডার্বিতেই গোল করে ইতিহাস গড়লেন মোহনবাগানের স্টার রয় কৃষ্ণ। গত বারের দুটি কলকাতা ডার্বির পর এ মরসুমের প্রথম ডার্বিতেও প্রথম গোল এল তাঁর পা থেকে। মাত্র তিন বছর হল মোহন বাগানের হয়ে খেলছেন এই ফিজির ফুটবলার। কিন্তু তারই মধ্যে যেন চোখের মনি হয়ে উঠেছেন বাগান প্রেমীদের।
আরো পড়ুনঃ কৃষ্ণা কামালে বেসামাল লাল-হলুদ, জয়ের হ্যাট্রিক হাবাসের!


২০১৯-২০ মরসুমে তৎকালীন এটিকে-তে কৃষ্ণকে সই করিয়েছিলেন হাবাস। ওয়েলিংটন ফিনিক্স থেকে ছিনিয়ে এনেছিলেন তবে রেখেছিলেন যথেষ্ট খেয়াল। কলকাতায় যাতে কৃষ্ণ একা না হয়ে পড়েন, তাই ওয়েলিংটন ফিনিক্স থেকে তাঁর সঙ্গী ডেভিড উইলিয়ামসকেও তুলে এনেছিলেন তিনি। সেই মরসুমে ১৫টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়েছিলেন কৃষ্ণ। ট্রফি জয় করেছিল মোহনবাগান।
প্রথম কলকাতা ডার্বিতে গোল করে সমর্থকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন ফিজির অধিনায়ক। তারপর থেকে যেন ডার্বি মানেই তাঁর গোল। গত মরসুমে কৃষ্ণ ১৪টি গোল করেছিলেন। ফলস্বরূপ ফাইনালে উঠেছিল এটিকে মোহনবাগান। আর এ বার দু’ম্যাচেই দু’টি গোল হয়ে গেল। তাঁর গোলের ঠেলাতেই কার্যত ৩-০ তে উড়ে যায় ইস্ট বেঙ্গলের যাবতীয় প্রতিরোধ।
শেষ তিন ডার্বিতেই গোল করে ইতিহাস গড়লেন রয় কৃষ্ণ

গতবারের ডার্বিতে ইস্ট বেঙ্গলের বিরুদ্ধে ১৫ মিনিটের মাথায় গোল করেছিলেন কৃষ্ণ। কিন্তু এবার যেন এগিয়ে এল সময়। সবুজ মেরুনের লক্ষ লক্ষ সমর্থকদের লাগামহীন উচ্ছ্বাস উপহার দিয়ে ১২ মিনিটে গোল করলেন তিনি। বাগানে হল কৃষ্ণলীলা। শেষ তিন ডার্বিতেই গোল করে ইতিহাস গড়লেন রয়। ১২ মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণ। সেই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের গোল। এ বার মনবীর সিংহ।



মুহুর্মুহু আক্রমণে তখন দিশেহারা লাল-হলুদ রক্ষণ। হুগো বুমোসের বাড়িয়ে দেওয়া লম্বা থ্রু ধরে নেন লিস্টন। তাঁকে আটকাতে গোল ছেড়ে এগিয়ে আসেন অরিন্দম। লাল-হলুদ অধিনায়ককে ধরাশায়ী করে ২২ মিনিটের মাথায় গোল করেন লেস্টন। ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বিভিন্ন গ্রুপে সমর্থকদের পোস্ট পড়তে থাকে, এবার ৫-০ হবে। যদিও ম্যাচ শেষ হয় ৩-০ ব্যাবধানেই। জয়ী হয় এটিকে মোহনবাগান।







