নজরবন্দি ব্যুরোঃ বড়বাজারের শাড়ির গদিতে গুলি। সেই গুলিতে আহত হয়েছেন একজন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। আপাতত হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন ওই ব্যক্তি। জানা গেছে, লুঠপাট চালাতে এসে দুষ্কৃতীদের একাংশ একনাগাড়ে গুলি চালাতে শুরু করে। এরপরই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রবিবার বড়বাজার এলাকার ১৬৫ নম্বর রবীন্দ্র সরণির একটি বিল্ডিংয়ে একটি শাড়ির গদিতে লুঠপাঠ চালাতে আসে একদল দুষ্কৃতী।
আরও পড়ুনঃ ফের আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করার ইঙ্গিত কেন্দ্রের।


এদের মধ্যে ওই গদির এক প্রাক্তন কর্মচারী ছাড়াও আরও তিনজন তাঁর সঙ্গে ছিল। তারাই লুঠপাট চালানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। গদিতে থাকা কর্মচারীরা বাধা দিলে আচমকাই সবাই মিলে গুলি চালাতে শুরু করেন। সেই সময়েই গদিতে থাকা এক কর্মচারী গুলিবিদ্ধ হন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেতেই ঘটনাস্থলে আসে স্থানীয় পুলিশ। অভিযুক্ত ওই চার দুষ্কৃতীদের মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও দু’জনের হদিশ মেলে। তাদেরকেও আজ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর এক অভিযুক্তের খোঁজে পুলিশ তল্লাশি চালাচ্ছে। পুলিশ সূত্রের খবর, দুষ্কৃতীদের থেকে যে সমস্ত আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া গেছে , সেগুলিকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই চার দুষ্কৃতীর মধ্যে তিনজন রাজস্থানের বাসিন্দা।
বড়বাজারে শাড়ির গদিতে লুঠপাট, চলল গুলি! তদন্তে নেমে পুলিশ আরও জানিয়েছে যে, গতকাল এই কাণ্ডের আগে হাওড়ার একটি গেস্ট হাউসে তারা লুকিয়ে ছিল এই দুষ্কৃতীরা। তদন্তে নেমে এদিন পুলিশ জানায়, বড়বাজারের যে শাড়ির গদিতে এই চার দুষ্কৃতী লুট করার পরিকল্পনা করেছিল সেখানে সদ্যই মোটা অঙ্কের টাকা ঢুকেছিল। এই খবর পেতেই ওই গদিতে হামলার পরিকল্পনা করে দুষ্কৃতীরা। তাদের নজর ছিল বিপুল পরিমাণ টাকার উপরেই।


লক্ষ্য ছিল গদিতে আসা সমস্ত টাকা লুঠ করা। যদিও শেষ পর্যন্ত তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে। ধৃতদের জেরা করে এই চক্রে আর কে কে যুক্ত তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। পলাতক অভিযুক্তের খোঁজেও জারি রয়েছে তল্লাশি অভিযান। তবে গোটা ঘটনার পেছনে কে বা কারা রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।







