রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন তৃণমূলের সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক তথা প্রাক্তন সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নবনিযুক্ত বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বিধানসভায় “সদর্থক ও গঠনমূলক অধিবেশন”-এর আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেও তাঁর এই বার্তা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্র থেকে সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে “আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন” জানান।


মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু-LOP শোভনদেবকে শুভেচ্ছা ঋতব্রতের, বিধানসভায় ‘সদর্থক ও গঠনমূলক অধিবেশন-এর বার্তা

একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কেও অভিনন্দন জানান তিনি। নিজের পোস্টে ঋতব্রত লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদর্থক ও গঠনমূলক অধিবেশনগুলির অপেক্ষায়।”
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ঋতব্রতের এই বার্তা তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, একদিকে বিজেপি প্রথমবারের মতো বাংলার ক্ষমতায় এসেছে, অন্যদিকে তৃণমূল এখন বিরোধী আসনে বসতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক সংঘাতের বদলে গণতান্ত্রিক ও গঠনমূলক আলোচনার পক্ষে সওয়াল করলেন তৃণমূলের এই তরুণ নেতা।
প্রসঙ্গত, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। পরে দলীয় সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার পাশাপাশি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে উলুবেড়িয়া পূর্ব কেন্দ্র থেকে জয়ী হন তিনি।


তাঁর এই পোস্টকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বিধানসভায় ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আগাম বার্তা দিতে চেয়েছেন ঋতব্রত। আবার একাংশের মতে, বিরোধী রাজনীতিতে নতুন ভাষা ও নতুন কৌশলের ইঙ্গিতও থাকতে পারে এই শুভেচ্ছা বার্তায়।
সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



