নজরবন্দি ব্যুরোঃ আইপিএলে ভালো পারফর্মেন্স এর পুরস্কার হিসেবে জাতীয় দলের দরজা খুলে গিয়েছে দীনেশ কার্তিকের কাছে । আর এটা মোটামুটি প্রমাণিত যে আইপিএলে ভালো পারফরম্যান্স করলে জাতীয় দলে ঢোকার একটা বড় সুযোগ থেকে যায়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে এই নিয়ম সব ক্রিকেটারের ক্ষেত্রে খাটে না ।
আরও পড়ুনঃ আনিস হত্যায় তদন্ত করুক সিট, চাইল আদালত, ডিভিশন বেঞ্চে যাছে পরিবার
যার বড় প্রমাণ ঋদ্ধিমান সাহা । আইপিএলে ভালো খেললেও জাতীয় দলে তার জায়গা হয়নি। কিছুদিন আগেই জাতীয় দলে আর তাঁকে নেওয়া হবে না বলে অলিখিতভাবে জানিয়ে দিয়েছিলেন কোচ রাহুল দ্রাবিড় । এই ঘটনা নিয়ে দেশজুড়ে চলেছে বিতর্ক। এই বিতর্কের মাঝেই আইপিএল খেলে গিয়েছেন ঋদ্ধিমান। শুধু খেলিনি, গুজরাট টাইটান্সের হয়ে ১১ ম্যাচে ৩৭১ রান করে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন তার দলকে সাহায্য করেছেন যথেষ্ট।

এর মধ্যেই সিএবি সঙ্গে বিতর্ক তৈরি হয় বৃদ্ধির। তাঁর সঙ্গে কোনো রকম কথা না বলেই রঞ্জি দলে তার নাম রেখে দেওয়া হয় । এই ঘটনায় অপমানিত বোধ করেন ঋদ্ধি । এর পরেই ঋদ্ধি জানিয়ে দেন তার পক্ষে আর বাংলার হয়ে খেলা সম্ভব নয়। এই ঘটনা নিয়ে সি এ বি-র মধ্যে চলে চরম অশান্তি।

অভিষেক ডালমিয়া ব্যক্তিগতভাবে ঋদ্ধির সঙ্গে কথা বললেও সার্বিকভাবে বাংলার ক্রিকেট সংস্থা ঋদ্ধির কাছে ক্ষমা চায়নি। এরপরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন বাংলার এই উইকেটে কিপার ব্যাটসম্যান। আইপিএলে ভালো পারফরম্যান্স করলেও কোন বিশেষজ্ঞ তার জাতীয় দলে খেলা উচিত এই নিয়ে কোনো কথা বলেননি।

বয়স যদি বাধা হয়ে দাঁড়ায় ঋদ্ধির ক্ষেত্রে তাহলে দীনেশ কার্তিকের বয়স কত? প্রশ্ন ওঠে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। আর এবার এই নিয়েই মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না নির্বাচকরা জাতীয় দলে আমার কথা ভাববেন। আমাকে তো আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, ভারতীয় দলে আর জায়গা হবে না। আমিও আইপিএলে ভালই খেলেছিলাম। সেই পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে যদি আমাকে জাতীয় দলে ফেরানোর হত, তাহলে ইংল্যান্ড সফরেই আমি দলে থাকতাম।
জাতীয় দলে ফের নিয়ে এবার মুখ খুললেন ঋদ্ধিমান, কি বললেন তিনি
এখন আমার কাছে খুব বেশি উপায় নেই, সেটা পরিষ্কার বুঝে গিয়েছি।” তাঁর ক্রিকেট কেরিয়ার কি তবে শেষের পথে? উত্তরে ঋদ্ধি জানান, “খেলার প্রতি আমি বরাবরই খুব ফোকাসড। যতদিন খেলাটাকে ভালবাসতে পারছি, ততদিন খেলে যাব।”



