আরজিকর মেডিকেল কলেজের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপককে বদলি করা হয় মালদা মেডিকেলে। কিন্তু তাঁকে কোনোমতেই মালদা মেডিকেলে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না বলে দাবি তোলে মালদা মেডিক্যালের জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁদের বক্তব্য, “ওনার যদি কোনো গাফিলতি না থাকত, তবে ওনাকে মালদা মেডিকেলে ট্রান্সফার করা হত না। মালদার মতো ছোটো মেডিকেলে পাঠিয়ে বিষয়টিকে চেপে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। উনি মালদায় এলে আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করব।” আরজিকর মেডিকেলের অধ্যাপকের ট্রান্সফার প্রসঙ্গে মন্তব্য মালদা মেডিকেলে চিকিৎসক পড়ুয়াদের।
আরজির মেডিকেলের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পর গতকাল রাতে সেখানকার চেস্ট মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডাঃ অরুনাভ দত্ত চৌধুরিকে মালদা মেডিকেলে ট্রান্সফারের নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্য ভবন। সেই নির্দেশিকার বিষয়টি জানার পর থেকেই মালদা মেডিকেলের চিকিৎসক পড়ুয়াদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছে। মালদা মেডিকেলে অরুনাভবাবুর প্রবেশ রুখতে একসঙ্গে লড়াইয়ের বার্তাও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। যদিও এই বিষয়ে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পার্থ প্রতিম মুখোপাধ্যায় জানান ওয়েবসাইটে তারা দেখেছেন তবে এখনো অর্ডার কপি হাতে পাননি।


প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার চিকিৎসকদের তরফে একটি মিছিল বার করা হয় যেখানে অধ্যক্ষ সহ সুপার ও ডেপুটি সুপার কে সরানোর দাবি জানিয়েছিল। আর তাদের এই দাবিতেই সহমত দিয়ে এই ৪ শীর্ষ আধিকারিক কে সরিয়ে দেয় স্বাস্থ্য দফতর। আরজি করের জুনিয়র চিকিৎসকরা। আর তাদের এই দাবিতে সায় দিলো স্বাস্থ্য দফতর। আর জি কর-এর নতুন অধ্যক্ষ হলেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়। । বারাসাত মেডিক্যালের অধ্যক্ষ ছিলেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে বারাসাত মেডিক্যালের নতুন অধ্যক্ষ করা হলো আরজি করে সদ্য নিয়োগ গড়া সুহৃতা পালকে। আরজি কর-এর নতুন সুপার সপ্তর্ষি চ্যাটার্জিকে। এর আগে বাঁকুড়া মেডিক্যালের সুপার ছিলেন তিনি। অন্যদিকে আরজি করের সুপার অরুণাভ দত্ত চৌধুরীকে বদলি করা হলো মালদা মেডিক্যালে। সব মিলিয়ে একপ্রকার অদলবদল খেলা শুরু হয়েছে আরজি করে ৪ শীর্ষ আধিকারিককে নিয়ে।







