নজরবন্দি ব্যুরোঃ গত বছরের শেষ দিকে নাগাল্যান্ডের মন জেলায় ১৪ জন নিরীহ মানুষের খুনের ঘটনায় জোরালো হয়েছিল আফস্পা প্রত্যাহারের দাবী। উত্তর-পূর্বের দাবীকে মান্যতা দিয়েই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। নাগাল্যান্ড, মণিপুর এবং অসমের একাংশ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট বা আফস্পা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার একথা ট্যুইট করে ঘোষণা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
আরও পড়ুনঃ নতুন ভুমিকায় মোহনবাগানে ব্যারেটো? জল্পনা তুঙ্গে ময়দানে


Reduction in areas under AFSPA is a result of the improved security situation and fast-tracked development due to the consistent efforts and several agreements to end insurgency and bring lasting peace in North East by PM @narendramodi government.
— Amit Shah (@AmitShah) March 31, 2022


এদিন অমিত শাহ জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অসম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডে বেশ কয়েকটি উপদ্রুত অংশে আফস্পা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও একটি ট্যুইটে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার যে তৎপরতার সঙ্গে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে কাজ করেছে এবং সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর পূর্ব বঞ্চিত ছিল, তবে সেখানে শান্তি, উন্নতি ও অভূতপূর্ব উন্নয়নকে বাস্তবায়ণ করার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ধন্যবাদ জানাই।
Thanks to PM @NarendraModi Ji’s unwavering commitment, our North-Eastern region, which was neglected for decades is now witnessing a new era of peace, prosperity and unprecedented development.
I congratulate the people of North East on this momentous occassion.
— Amit Shah (@AmitShah) March 31, 2022
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে উত্তর-পূর্ব ভারতে আফস্পা প্রত্যাহারীর দাবী নিয়ে লড়াই করছিল আম জনতা। সম্প্রতি মণিপুরের বিধানসভা নির্বাচনে এই ইস্যুকে সামনে রেখেই প্রচারে নেমেছিল সমস্ত দলগুলি। শেষমেশ অবশ্য বিজেপিকেই বেছে নেন তাঁরা। এখন সাধারণ মানুষের এই সিদ্ধান্তকে মান্যতা দিয়েই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার।
উত্তর-পূর্বের দাবীকে মান্যতা, কি এই আইন

উল্লেখ্য, অরুণাচল প্রদেশ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মেঘালয়, অসম ও ত্রিপুরার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন দমন করতে ১৯৫৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এই আইন পাস হয়। এছাড়াও জম্মু-কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে খালিস্তানি আন্দোলনের সময় এই আইন লাগু করা হয়েছিল। এই আইনে সেনা বাহিনীকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল। সেখানে বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার, তল্লাশি অভিযান চালাতে পারবে সেনা। এমনকি যে কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গুলি করতে পারবে।








