নজরবন্দি ব্যুরো: মেঘভাঙা বৃষ্টির দাপটে তছনছ হয়ে গিয়েছে গোটা সিকিম। এদিকে, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়িসহ গোটা উত্তরবঙ্গেও বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ফুঁসছে তিস্তা। সিকিমে ভেসে গিয়েছে সেনার বহু গাড়ি। শুধু তাই নয়, ভেসে গিয়েছে বেশ কয়েকটি সেনা ছাউনিও। নিখোঁজ হয়ে গিয়েছেন সেনার ২৩ জওয়ান। সেখানে ইতিমধ্যেই যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে গিয়েছে উদ্ধারকাজ। এহেন পরিস্থিতিতে কালিম্পং, দার্জিলিংয়ের সঙ্গে সংযোগ ছিন্ন হয়ে গিয়েছে সিকিমের।
আরও পড়ুন: Jalpaiguri: জলপাইগুড়িতে ফুঁসছে তিস্তা, বন্যার আশঙ্কায় স্কুল ছুটির নির্দেশ


এহেন পরিস্থিতিতে যখন উত্তরে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, সেই সময় আরও দুর্যোগের পূর্বাভাস দিল হাওয়া অফিস। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কার জেরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি উত্তরে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপের পরামর্শও দিয়েছেন আবহাওয়াবিদেরা। আজ বুধবার উত্তরবঙ্গের সবক’টি জেলাতে অর্থাৎ দার্জিলিং থেকে শুরু করে মালদহ, দুই দিনাজপুরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দুর্যোগের বেশি আশঙ্কা রয়েছে কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে।

জানা যাচ্ছে, বুধবার ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এমনকি বৃহস্পতিবার বৃষ্টির পরিমাণ ৩০ সেন্টিমিটারের গণ্ডি ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তরের দার্জিলিং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মালদহ, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে। তবে শুধু উত্তরেই নয়, দক্ষিণবঙ্গেও দুর্যোগের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী জেলাগুলিতে মুষলধারে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।



হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায়। এছাড়াও বৃহস্পতিবার দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া ছাড়াও বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে রাজ্য সরকারের তরফে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতির ওপর বিশেষ ভাবে নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে রওনা দিয়েছেন মন্ত্রিসভার সিনিয়র সদস্য এবং আইএএস আধিকারিকেরা।
উত্তরে প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা, জারি লাল সতর্কতা








