নজরবন্দি ব্যুরোঃ সিকিমের পর এবার জলপাইগুড়ি। তিস্তার জলস্তর বেড়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। এক ধাক্কায় জলসস্তর বেড়েছে প্রায় ১৫-২০ ফুট। বন্যার হতে পারে উত্তরবঙ্গের একাধিক জায়গায়। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতা। বন্যার আশঙ্কায় স্কুল ছুটির নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক শ্যামা পারভিন।
আরও পড়ুনঃ গ্রেফতার করলে লিখিতভাবে ‘কারণ’ জানাতে হবে, ইডিকে সুপ্রিম নির্দেশ আদালতের


তিস্তা নদী এমনিতেই খরস্রোতা। তার ওপর বিগত কয়েকদিনের মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে গর্জাচ্ছে উত্তরবঙ্গের এই নদী। সিকিমে কার্যত ধ্বংসলীলা চালিয়েছে সে। এখনও নিখোঁজ অনেক পর্যটক। উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জরুরি অবস্থায় সিকিমে যাবার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী ও আমলাদের।

সিকিমের সঙ্গে সঙ্গেই কিন্তু জলপাইগুড়িতেও নিজের তেজ প্রদর্শন করছে তিস্তা। জলস্তর বেড়েছে সাংঘাতিক পরিমাণ। জলপাইগুড়ির দু’কূল ছাপিয়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা। গজলডোবা বাঁধের গেট খুলে দেওয়ায় আরও খরস্রোতা দেখাচ্ছে তিস্তাকে। দোমহনি-মেখলিগঞ্জ এবং বাংলাদেশের কিছু এলাকা ভেসে যেতে পারে দুপুরের পরে। কিন্তু জল ছাড়া কোনও উপায় ছিল না। সিকিম থেকে জলের বন্যা নিয়ে সমতলে ধেয়ে আসছিল তিস্তা।



জলপাইগুড়িতে ফুঁসছে তিস্তা, বন্যার আশঙ্কায় স্কুল ছুটির নির্দেশ
ভরা তিস্তায় মাছ ধরতে নেমে নিখোঁজ হয়ে যান মৎস্যজীবী পরিবারের বাবা ও ছেলে। পরে তাঁদের উদ্ধার করা হয়। ইতিমধ্যেই জলপাইগুড়িতে পৌঁছেছেন বিপর্যয় মোকাবিলা দল। বাসিন্দাদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সিকিমের লোনক হ্রদ ফেটে তিস্তায় হড়পা বান দেখা দিয়েছে। ভেসে গিয়েছেন ১৩ জন জওয়ান। এখনও পর্যন্ত তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।

সবচেয়ে আগে সঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে
Google News এবং Google Discover-এ নজরবন্দি-কে Follow করে রাখুন।



