নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত বছর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। একাধিকবার জামিনের আবেদন জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। তবে এবার ডিভিশন বেঞ্চে খানিক স্বস্তিতে মানিক। সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জরিমানার নির্দেশ খারিজ করে দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল আদালতে।
আরও পড়ুন: মণিপুর ইস্যুতে উত্তাল সংসদ, কক্ষত্যাগ বিরোধীদের, মোদীকে কটাক্ষ অধীরের


এক চাকরিপ্রার্থীর অভিযোগ ছিল ২০১৪ সালে প্রাথমিক টেট পরীক্ষা দেওয়ার ৬ বছর পরও ফলাফল জানতে পারেননি। এরফলে পরবর্তী নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও বসতে পারেননি তিনি। সেইসময়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন মানিক ভট্টাচার্য। এই মামলায় তাঁর দেশ-বিদেশের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। গত জানুয়ারি মাসে এই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

অন্যদিকে, এক টেট পরীক্ষার্থী আদালতে দাবি করেছিলেন তথ্যের অধিকার আইনের আওতায় তাঁর ওএমআর শিট চেয়েও পাননি তিনি। নির্ধারিত টাকাও দিয়েছিলেন তিনি। এই মামলাতেই গত ফেব্রুয়ারি মাসে হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ মানিক ভট্টাচার্যকে পাঁচ লক্ষ টাকা জরিমানার নির্দেশ দিয়েছেন। এই দুটি নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মানিক। এদিন এই মামলায় দুটি নির্দেশকেই খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি উদয় কুমারের ডিভিশন বেঞ্চ।



উল্লেখ্য, গত ৭ তারিখ জামিন পেয়েছেন মানিক ভট্টাচার্যের স্ত্রী শতরূপা ভট্টাচার্য। এই প্রথম কলকাতা হাইকোর্ট নিয়োগের দুর্নীতি মামলায় ধৃত কারও জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন। সোমবার মানিক পত্নীকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়। আদালতের বক্তব্য, শতরূপা ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কোনও তথ্যপ্রমাণ পায়নি ইডি। এমনকি তিনি যে কারও থেকে টাকা নিয়েছেন তারও কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি মানিক পত্নী জামিন পেলে পালানোর বা তদন্তে প্রভাব ফেলার আশঙ্কাও জানায়নি তদন্তকারীরা। এর প্রেক্ষিতেই বিচারপতি বলেন, শতরূপা ভট্টাচার্যকে আর হেফাজতে রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই।
হাইকোর্টে স্বস্তি মানিকের, সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ও জরিমানার নির্দেশ খারিজ ডিভিশন বেঞ্চে








