নজরবন্দি ব্যুরো: টাকা দিয়ে চাকরি কেনার অভিযোগে মুর্শিদাবাদের চারজন শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপরই বাঁকুড়ার ৭ জন প্রাথমিকের শিক্ষককে তলব করা হয়েছিল নিজাম প্যালেসে। এবার সিবিআই স্ক্যানারে আরও এক জেলা কোচবিহারের ৩০ জন প্রাথমিকের শিক্ষক। বৃহস্পতিবার অর্থাৎ আজই তাঁদের সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: বৃষ্টি হবে নাকি গরম বাড়বে! কেমন থাকবে রাজ্যের আবহাওয়া?
জানা গিয়েছে, কোচবিহারের যে ৩০ জন শিক্ষককে তলব করা হয়েছে তাঁরা প্রত্যেকেই ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষার্থী। সিবিআই জানতে চায়, চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এঁদের নিয়োগে কোনও গলদ আছে কিনা। কোনও টাকার লেনদেন হয়েছে কিনা এই দিকটিও খতিয়ে দেখতে চায় তদন্তকারী আধিকারিকরা। ৩০ জন শিক্ষককে তাঁদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, মার্কশিট, জাতি শংসাপত্র সহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আজ নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চাকরি বিক্রি নয়, টাকার বিনিময়ে চাকরি কেনাও যে অপরাধ এই বিষয়টি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। জেলে যাওয়া বাঁকুড়ার চার অযোগ্য শিক্ষকের নাম— জাহিরউদ্দিন শেখ, সৌগত মণ্ডল, সায়গর হোসেন, সিমার হোসেন। চার্জশিটে সিবিআইয়ের দাবি, তাপস বিভিন্ন এজেন্ট মারফত এবং ব্যক্তিগত ভাবেও চাকরিপ্রার্থীদের থেকে স্কুলের চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কয়েক কোটি টাকা তুলেছিলেন। তাঁদের মধ্যেই চারজনকে সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে।

মুর্শিদাবাদের এই চার শিক্ষকের গ্রেফতারির পর বাঁকুড়ার ৭ জন শিক্ষককে নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়। গত বুধবারই তাঁরা নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিয়েছেন। এই সাত শিক্ষক ২০১৪ সালে টেট পাশ করে চাকরি পেয়েছিলেন। ৯ বছর পুরনো টেট নিয়েই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সাক্ষী হিসেবে তাঁদের নাম চার্জশিটে উল্লেখ করেছিল সিবিআই। বাঁকুড়ার এই সাত শিক্ষককেও মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড, মার্কশিট, কাস্ট সার্টিফিকেটের মতো কিছু নথি নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল।
বাঁকুড়ার পর এবার CBI স্ক্যানারে কোচবিহার, ৩০ শিক্ষককে তলব নিজাম প্যালেসে




