নজরবন্দি ব্যুরোঃ নিউ ইয়ারে নয়া রেকর্ড, সামনেই গিয়েছে বড়দিন, আর আজ নিউ ইয়ারের ২০২৩-এর প্রথম দিন দেদার খাওয়া, আনন্দ-পার্টি হবেনা তা কি হয়? আর পার্টি হবে সেখানে মদ থাকবেনা তা কি হয়? তাই ডিসেম্বরের ২০ তারিখের পর থেকে আজ এখনও পর্যন্ত মদ বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে শহরে। বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ সেলিব্রেশনে যুক্ত হয়েছে মদ। তাই বিভিন্ন উৎসব, পুজার দিনগুলিতে বাড়ছে মদ বিক্রির পরিমাণও।
আরও পড়ুনঃ বর্ষবরণের রাতে নজরকাড়া চাহিদা বিরিয়ানি আর কন্ডোমের, বিপুল অঙ্কের লক্ষ্মীলাভ স্যুইগির


আর মদ বিক্রি করেই বাড়ছে রাজ্যের রাজস্ব। আবগারি দফতরের আয় থেকেই ফুলেফেঁপে উঠছে কোষাগারও। গত বছর শুধুমাত্র গুয়াহাটি (Guwahati) শহরেই যে মদ বিক্রি হয়েছে, তা ছাপিয়ে গিয়েছে গত এক দশকের সব রেকর্ডকে। আবগারি দফতরের হিসাবে, গত বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত হিসাবে, গুয়হাটি শহরে বিক্রি হয়েছে ১.৪২ কোটি লিটার মদ। এর মধ্যে ভারতে তৈরি বিদেশি মদ (IMFL)-এর পরিমাণ ৭৬ লাখ ৫০ হাজার ৩১৫ লিটার।

এই পরিমাণ মদ বিক্রি করা হয়েছে ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে। ২০২১ সালে, এই সময়ে গুয়াহাটিতে মদ বিক্রি হয়েছিল ১ কোটি ২৬ লাখ ৯৬ হাজার ৬৪৩ লিটার মদ। আর ২০১৯-২০ সালে গুয়াহাটিতে মদ বিক্রি হয়েছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৭৭ হাজার ৫৩৮ লিটার মদ। আবগারি দফতরের হিসাবে ২০১৫-১৬ সালে গুহায়াটিতে বিক্রি হয়েছিল ১ কোটি ১১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪২ লিটার মদ। এই সময়ে সবচেয়ে কম মদ বিক্রি হয় ২০১৭-১৮ সালে। সেই বছরে বিক্রি হয় মাত্র ৭৮ লাখ ৩৭ হাজার ৪২৪ লিটার মদ।

গত বছরে অসমে মদের ওপর রাজস্ব বৃদ্ধি করা হয়। তারপরেও সেখানে মদ বিক্রি কমেনি। দুর্গাপুজা, বিশ্বকর্মা পুজার দিনের মতন সময়ে মদের বিক্রি অনেকটাই বাড়ে। বিশেষ কোন অনুষ্ঠান থাকলেও ভিড় বেড়েছে গুহাহাটির মদের দোকানে। বেশি মদ বিক্রির কারণে তাদের রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। অসমের আবাগারি দফতরের আধিকারিকরা জানান, গত দুবছরে গুয়াহাটি শহরে অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে মদ্য পানের হার। ২০২১-২২ সালের তুলনায় ২০২২-২৩ সালের বছরের হিসাবে গুয়াহাটিতে বিয়ার এবং IMFL-এর বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ১৫ শতাংশ।


আধিকারিকরা জানান, ২০২২ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত দেশে তৈরি বিদেশি মদ (IMFL), বিয়ার এবং দেশি মদ বিক্রি হয়েছে প্রায় ১১ কোটি ৫৭ লাখ লিটার। যার ফলে তাদের রাজস্ব আদায় হচ্ছে আগের বছরের তুলনায় বেশি। গত কয়েক বছরে অসমে অনেক মদের দোকানের লাইসেন্স দেওয়াও হয়েছে। চলতি বছরের বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে বিধায়ক নুরুল হক জানতে চান, কোন জেলায় কত মদের দোকানে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে।
নিউ ইয়ারে নয়া রেকর্ড, বিপুল বিক্রিতে কি এবার দাম কমবে মদের!

২০১৬ সালের ১ জুন থেকে গত বছরের ৩০ নভেম্বরের হিসাব চান তিনি। জানানো হয়, অসমে মদ বিক্রির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে মোট ১১৪৬জনকে। স্থানীয় ভাবে তৈরি মদের চাহিদাও আছে অসমে। স্থানীয়ভাবে আদিবাসীদের উৎপাদিত মদ নিয়মিত পরীক্ষা করা ল্যাবরেটরিতে।







