গত ২২ জানুয়ারী রামমন্দির উদ্বোধনের পর ২৩ জানুয়ারী জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় রামমন্দিরের দরজা। আর প্রথমদিনই রামলালা দর্শনের জন্য, দেখা গেল নজিরবিহীন ভিড়। রাম মন্দিরের প্রবেশপথে দেখা গেল তুমুল উচ্ছ্বাস, হুড়োহুড়ি। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে যে ব্যারিকেড দেওয়া ছিল, একসময় সেই লোহার ব্যারিকেড ভেঙে মন্দিরে ঢুকতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা।



আরও পড়ুন : ‘ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা’ ঘিরে পুলিশের সাথে বচসায় ধুন্ধুমার অসমে
পুলিশকে সামান্য লাঠিচার্জও করতে হয়। তাতে মাথা ফাটে এক সাধুবাবার। আরও কয়েকজন আহতও হন। এর মধ্যে বেলা ১১.৩০টায় সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় রামমন্দিরের দরজা। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আবার দুপুর ২টোর পর, মন্দির খুলে দেওয়া হবে ভক্তদের দর্শনের জন্য। মন্দির চত্বরের মধ্যেই ভক্তদের বসার জায়গা করা হয়েছে। তারা সেখানে বসে দর্শনের জন্য অপেক্ষা করছেন।



সূত্রের খবর, অযোধ্যার রাম মন্দিরে প্রতিদিন দুটি ভাগে দর্শনার্থীদের স্বাগত জানানো হবে। প্রথমে সকাল ৭টা থেকে সকাল ১১:৩০। তারপর দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত। প্রথমদিনে রামলালাকে এক ঝলক দেখতে এবং পুজো দিতে, প্রবল ঠাণ্ডার মধ্যেও মন্দির চত্বরের বাইরে ভোর ৩টে থেকেই বিশাল সংখ্যায় ভিড় জমিয়েছিলেন ভক্তরা। মন্দিরে ঢোকার জন্য দরজার বাইরে লাইন দিয়েছিলেন।

ভিড়ের চাপে সাময়িকভাবে বন্ধ রামমন্দিরের দরজা, নামানো হল RAF
ভোর ৬.৩০-এ রাম মন্দিরে প্রথম ভোরের আরতি হয়। তার পর মন্দিরের দরজা খুলে দেওয়া হয় দর্শনার্থীদের জন্য। সকাল ৮টা থেকে ভক্তদের পুজো নেওয়া শুরু হয়। সন্ধ্যা ৭টায় মন্দির বন্ধের পর, আরও একবার রামলালার বিগ্রহের আরতি করা হবে। উল্লেখ্য,পরিস্থিতি সামাল দিতে প্যারা মিলিটারি কোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, র্যাপিড অ্যাকশান ফোর্স নামাতে হয়।







