২০২১-এর বিধানসভা ভোটে বাংলায় ২০০ পার-এর ঘোষণা করেছিলেন অমিত শাহ। দল তিন অঙ্কে পৌছনোর আগেই থমকে গিয়েছিল। এবার লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে বাংলায় অবাক করে দেওয়ার মতো ফলাফল হওয়ার কথা বলেছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে দলের আসন সংখ্যা ১৮ থেকে একধাক্কায় কমে ১২ হয়েছে। তার পর থেকেই বাংলায় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন বিজেপির সর্বোচ্চ নেতারা। এইরূপ অবস্থায় বঙ্গ বিজেপি-র হাল পাল্টাতে এবার ‘গেরুয়া টোটকা’ রাজনাথ সিং!

আর এই নির্বাচনের ফলাফল নিয়েই নির্বাচনী পর্যালোচনা বৈঠক করতে চলেছে বিজেপি। সেটি আগামী ১৭ ই জুলাই সায়েন্স সিটি অডিটরিয়ামে হবার কথা। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন সুনীল বংশাল, মঙ্গল পান্ডে সহ কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা। এছাড়াও সূত্রের খবর এই বৈঠকে থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংও। এর আগে বঙ্গ বিজেপির বিভিন্ন বৈঠকে একাধিকবার বাংলায় এসেছেন রাজনাথ।

লোকসভা ভোটের হতাশজনক ফলের জেরে জেলা স্তরে বড়সড় সাংগঠনিক রদবদলের পথে হাঁটতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। আগামী আগস্টে হতে পারে বাংলার নতুন রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা। আর এই সভাপতি পদে বসা নিয়ে কয়েকজনের নাম ঘোরাফেরা করছে বঙ্গ বিজেপির অন্ধকার। সদ্য শেষ হওয়া লোকসভা নির্বাচনেবঙ্গে বিজেপির এই বিপর্যয়ের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ উঠে এসেছে।
বঙ্গ বিজেপি-র হাল পাল্টাতে এবার ‘গেরুয়া টোটকা’ রাজনাথ সিং! জল্পনা তুঙ্গে

সেগুলির মধ্যে অন্যতম হলো রাজ্যে এখনো মজবুত বুথ সংগঠন তৈরি হয়নি বিজেপির। সব জায়গা থেকেই বলা হয়েছিল ভালো ফল হবে কিন্তু বাস্তবে সেটা একেবারেই মেলেনি। ভোটারদের কাছে পৌঁছতেই পারেনি বিজেপি। এছাড়াও নব্য এবং পুরনো বিজেপির দ্বন্দ্বতো রয়েছেই। এবার দেখার বিষয় এটাই রাজ্যের গেরুয়া সংগঠনকে আরো মজবুত করতে রাজনাথ সিং কতটা কি করতে পারেন।



