বাংলার রাজনৈতিক দিগন্তে নক্ষত্রপতন। বৃহস্পতিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সকাল ৮টা ২০ নাগাদ পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতেই তিনি প্রয়াত হন। তিনি ছিলেন ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের দ্বিতীয় এবং শেষ মুখ্যমন্ত্রী। ২০০০ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা এগারো বছর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব। অনেকদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত গোটা রাজনৈতিক মহল। বুদ্ধদেবের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।
এদিন সমাজ মাধ্যমে রাহুল গান্ধী শোক প্রকাশ করে লেখেন, “পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে জানতে পেরে মর্মাহত। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি জনসেবায় অটলভাবে নিবেদিত ছিলেন। রাষ্ট্র ও জাতির জন্য তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এই কঠিন সময়ে তার পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং অনুসারীদের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা।”
এছাড়াও এদিন তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খারগে। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শ্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মৃত্যুতে আমার গভীর সমবেদনা। পাঁচ দশকেরও বেশি রাজনৈতিক জীবনে তিনি জনগণের সেবা করেছেন। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা তার পরিবার এবং কমরেডদের সাথে রয়েছে।”
অর্থাৎ শাসক থেকে বিরোধী, রাজ্য থেকে দেশ একে একে সমস্ত রাজনৈতিক স্তরে শোকপ্রকাশ রাজনৈতিক নেতৃত্বের। তার কারণ দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বুদ্ধদেব ছাপ রেখেছিলেন কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী সর্বত্র। তার প্রয়ানে সকাহত গোটা রাজনৈতিক মহল। যদিও সকালে বুদ্ধদেবকে দেখতে বাড়িতে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও তার প্রয়ানে শোক প্রকাশ করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।









