নজরবন্দি ব্যুরোঃ টলিউডের এক সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জিকে (rachana banerjee) এখন বড়পর্দায় দেখা না গেলেও অনুরাগীদের কাছে তিনি দিদি নাম্বার ওয়ান বলেই বেশি পরিচিত হয়ে উঠেছেন। জি বাংলার রিয়েলিটি শো দিদি নাম্বার ১ রচনাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ একথা সকলেই স্বীকার করবে। সেই সূত্রে রচনাও হয়ে উঠেছেন সকলের প্রিয় দিদি। তবে এবার পাওয়া গেল রচনাকে একেবারে অন্য ভূমিকায়। হাতে শাঁখা-কপালে সিঁদুর পুত্র কোলে বধূবেশে রচনা, ছবি ভাইরাল স্যোশাল মিডিয়ায়।
আরও পড়ুনঃশত্রুর মুখে ছাই দিয়ে ঐন্দ্রিলা ফিরছে, তাহলে মিরাকল হয়


ছেলের অন্নপ্রাশনে মা রচনার সাজ দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। স্মৃতির সাগরে ডুব দিয়ে সোনায় মোড়া দিন গুলিকে আবারও খুঁজে এনেছেন রচনার অনুরাগীরা। ফ্যান পেজে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে ছেলে কোলে রচনার বধূ বেশ। পরনে হলুদ শাড়ি, কপালে সিঁদুর হাতে শাঁখা পলা যেন অচেনা রচনা। কখনও পরিবারের সঙ্গে হাসি মুখে, তো কখনও ছেলেকে হলুদ লাগানোর বিশেষ মুহুর্ত ক্যামেরা বন্দি সেসব ছবি ভাইরাল ফ্যান ক্লাবের পেজে।

এক সময়ের টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, মিঠুন চক্রবর্তী, চিরঞ্জিতের সঙ্গে দুরন্ত অভিনয় করে বহু হিট ছবি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন রচনা। শুধু টলিউড না, বলিউডেও অভিনয় করেছেন রচনা। অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গেও স্ক্রিন শেয়ার করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তবে কেরিয়ার অত্যন্ত মসৃণ হলেও রচনার ব্যক্তিগত জীবন খুব সুখকর ছিল না।
কেরিয়ারের শুরুতে উড়িয়া ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ কিছুদিন কাজ করেছিলেন অভিনেত্রী রচনা।সেখানেই তাঁর পরিচয় উড়িয়া ছবির অভিনেতা সিদ্ধার্থ মহাপাত্রের সঙ্গে। কিছুদিন প্রেমের পর বিবা, বন্ধনে আবদ্ধ হন তাঁরা। কিন্তু বেশিদিন টেকেনি সেই বিয়ে। ২০০৪ এ বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায় দুজনের। এরপর টলিউডে পা রাখেন রচনা। ২০০৭ সালে প্রবাল বসুকে বিয়ে করেন তিনি। জন্ম হয় রচনার একমাত্র ছেলে প্রণীলের। কিন্তু সেই বিয়েও সুখকর হয়নি। দ্বিতীয় বার বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর আর কোনো সম্পর্কে জড়াতে চাননি রচনা। ছেলে প্রণীলকে আঁকড়েই নতুন করে জীবন শুরু করেন তিনি।


হাতে শাঁখা-কপালে সিঁদুর পুত্র কোলে বধূবেশে রচনা, নতুন সাজে দিদি নম্বর ওয়ান

ছেলে প্রণীলকে আঁকড়েই নতুন করে জীবন শুরু করেন তিনি। তবে ছেলেকে ভাল ভাবে মানুষ করার জন্য অভিনয়ের কেরিয়ার থেকে ধীরে ধীরে সরে আসতে থাকেন রচনা। কাজের বাইরে ছেলেকে ঘিরেই আবর্তিত রচনার জীবন। তাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়েন ইতিউতি। মা-ছেলের এই বন্ধুত্ব নজর কেড়েছে অনুরাগীদের। বেশ কয়েক বছর ধরে বড় পর্দা থেকে দূরে রচনা। তবে ‘দিদি নম্বর ওয়ান‘-এর মাধ্যমে বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছেন তিনি। শুধুমাত্র খেলা ও উপহার দেওয়াই নয়, এই শো তে এসে নিজেদের সুখ দুঃখের কথা, নিজেদের জীবন সংগ্রাম তুলে ধরেন প্রতিযোগীরা।







