নজরবন্দি ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত করতে নেমে সিবিআইয়ের হাতে উঠে এসেছে ওএমআর শিটে কারচুপির বিরাট তথ্য। সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন কেউ। আবার নম্বর কারচুপি করে চাকরি পেয়েছেন অনেকেই। পুরোটাই হয়েছে টাকার বিনিময়ে। এবার নিয়োগ পরীক্ষায় OMR Sheet -এ কারচুপি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল রাজ্য পাবলিক সার্ভিস কমিশন। যে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা ওএমআর প্রস্তুতি, সরবরাহ ও সেগুলি মূল্যায়ণের দায়িত্বে থাকছে, তার কাজের গুণগত মান ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার মানবসম্পদের বিশ্বাসযোগ্যতার মূল্যায়ণে একাধিক শর্ত জারি করেছে রাজ্যের পাবলিক সার্ভিস কমিশন।
আরও পড়ুনঃ Bairon Biswas: মুখ্যমন্ত্রীর দরজা খোলা, বায়রনকে পরামর্শ অভিষেকের, বিধায়ক বললেন অবশ্যই যাব


এতদিন ধরে ওএমআর শিটের সরবরাহ ও মূল্যায়নের দায়িত্বে ছিল এনডি ইনফোসিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেডের ওপর। সেই সংস্থাটর ম্যানেজিং ডিরেক্টর নীলাদ্রি দাস শিক্ষক-অশিক্ষক নিয়োগে ওএমআর কারচুপির অভিযোগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। এরপর থেকেই পিএসসি সংস্থাটিকে বাদ দেওয়ার কাজ শুরু করেছে। নতুন সংস্থার ওপর দায়িত্ব দেওয়ার আগে একাধিক নয়া শর্ত জারি করা হয়েছে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের তরফে।

জানানো হয়েছে, সেই তথ্য প্রযুক্তি সংস্থাকে ১০৫ জিএসএম পুরু ওএমআর শিট হতে হবে। কাগজের গুণাগুণ সংক্রান্ত শংসাপত্র প্রয়োজনে ল্যাব টেস্ট করে জমা দিতে হবে। সেটা না হলে সঠিক মূল্যায়ন না হওয়ার আশঙ্কা থাকে। একইসঙ্গে ওই সংস্থা যে সমস্ত জায়গায় নিয়োগের দায়িত্ব সামলেছে, সেখান থেকে ১০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন করার সার্টিফিকেট আনতে হবে।


OMR Sheet -এ কারচুপি রুখতে কড়া পদক্ষেপ, কি কি শর্ত রাখল কমিশন?

একইসঙ্গে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার কাজে নিযুক্ত প্রত্যেকের সম্পর্কে শংসাপত্র জমা দিতে হবে। এমনকি কারোর আত্মীয় পরীক্ষায় বসছেন কি না, সেসম্পর্কেও অবগত করতে হবে। মূলত, OMR Sheet -এ কারচুপি রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পাবলিক সার্ভিস কমিশন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হল, এই ধরনের সংস্থার গত পাঁচ বছরে এক-একটি নিয়োগ পরীক্ষায় এক লাখেরও বেশি ওএমআর স্ক্যান করে মূল্যায়নের অভিজ্ঞতা দেখতে হবে।







